মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের কীভাবে থামাবেন?

আপডেট : ১৯ মার্চ ২০২৪, ০৬:৫৪ পিএম

গরুর মাংস, দেশি পেয়াজ, ছোলা, ব্রয়লার মুরগিসহ ২৯ নিত্যপণ্যের দাম বেঁধে দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। মনিটরিংয়ে গেলে সেই দামে বিক্রির দাবি করেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু ক্রেতারা বলছেন, সেই মূল্যের পণ্য কিনতে পারছেন না তারা। এদিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচএম শফিকুজ্জামান বলেন, অভিযান চালিয়ে চলে আসার পরে যদি ব্যবসায়ীরা আবারও দাম চড়িয়ে দেন সেক্ষেত্রে করণীয় ঠিক করতে পারছে না তারা। ফলে মানুষকে স্বস্তি দিতে সরকারের নেয়া নানাবিধ উদ্যোগের পরেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেই বাজার।

কৃষি ‍বিপণন অধিদপ্তর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কৃষি বিপণন আইন ২০১৮ এর ৪ (ঝ) ধারা এর ক্ষমতা বলে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক কতিপয় নিত্য প্রয়োজনীয় কৃষি পণ্যের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করা হলো। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উল্লেখিত দামে কৃষি পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের অনুরোধ করা হলো। অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে উৎপাদন খরচ ১৪৬ টাকা। তারা উৎপাদনকারী, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে মুনাফা যোগ করে এক কেজি ব্রয়লার মুরগির দর নির্ধারণ করে দিয়েছে ১৭৫ টাকা। যদিও ঢাকার চারটি বাজার এবং বিভাগীয় শহরের বাজার ঘুরে গতকাল কোথাও নির্ধারিত দরে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হতে দেখা যায়নি।

বিক্রেতাদের নির্ধারিত দামের কথা বলা হলে তারা বলেন, সেই দামে বিক্রি করলে লাভ থাকে না। লাভ থাকে না নাকি বেশি লাভ থাকে না প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, মুরগি কেবল মুরগি না, সেটার সঙ্গে আনুষঙ্গিক খরচ যুক্ত করে দাম নির্ধারণ করি আমরা। সরকারি সংস্থা বাজারে অভিযানে আসলে তারা কোন দামে বিক্রির কথা বলবেন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, অবশ্যই তাদের ঠিক করে দেওয়া দামই উল্লেখ করা হবে। কিন্তু আমাদেরও পরিবার নিয়ে টিকে থাকতে হয়। ওই দামে বিক্রি করলে লাভ থাকে না।

তিন থেকে চার বছর ধরে তরমুজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ঢাকা শহরে। যিনি তরমুজ ফলাচ্ছেন, সেই কৃষক তো কেজিতে বিক্রি করছেন না। তিনি বিক্রি করছেন শ হিসাবে (১০০ পিস হিসাবে)। সে কৃষক থেকে পিস হিসেবে ক্রয় করে কেন সেটা কেজিতে বিক্রি করতে হবে ভোক্তাদের কাছে? কারওয়ানবাজারের থেকে একটু এগিয়ে এসে বাজারগুলোতে বেল এর দাম হাঁকেন বিক্রেতারা ৩শ টাকা। সম্ভব হলে পাশের দোকানের চেয়ে দুই টাকা হলেও বেশি দামে কোন সবজি বিক্রি করতে পারলে দোকানী খুশি হন।

কেনো একটি পণ্যের দাম একই থাকবে না এবং সেই বাজার ব্যবস্থাপনায় করণীয় কী তা নিয়ে কথা হয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচএম শফিকুজ্জামান এর সঙ্গে। ব্যবসায়ীদের এই দ্বিচারিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের কাজ করি। আমরা এটাও বুঝতে পারি, কোন কোন জায়গায় অভিযান চালিয়ে আসার পরে আবারও একই অবস্থা হয়তো ফেরত আসে। মানুষ যদি এটুকু সততা না দেখাতে পারে তাহলে ব্যাপারটা কঠিন হয়ে যায়।’ এই মুনাফালোভীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কী হবে প্রশ্নে তিনি বলেন, আরও বেশি বেশি অভিযোগ করুন ভোক্তা অধিকারের জন্য। সার্বিক বাজার মনিটরিংয়ে যা যা প্রয়োজন তার ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে লোভী আরও বেশি লোভী হবে এবং ভুক্তভোগী হবে জনগণ।

 

এআর
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার...
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক খাতের শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও)...
মাদকের বিষাক্ত ছোবলে বিপথে যাওয়া সন্তানের অত্যাচারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল পুরো পরিবারের। বুঝিয়ে, শাসন করে, কোনোভাবেই যখন ঘরোয়াভাবে শুধরানো যাচ্ছিল না, তখন আর কোনো উপায় না দেখে চরম এক কঠিন...
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান মঙ্গলবার বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক এক বৈজ্ঞানিক...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর