ঈদ এগিয়ে আসায় কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে, তবে এখনো স্বস্তিতেই ঈদযাত্রা করছেন তারা।
সোমবার ষষ্ঠদিনের ঈদযাত্রায় ঢাকার কমলাপুর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে চেড়ে যাচ্ছে ট্রেন। সকালে কমলাপুর থেকে বুড়িমারী এক্সপ্রেস ছাড়া বাকি সব ট্রেনই ছাড়ছে সময়মতো।
এবার ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে বাড়ি ফিরতে পেরে খুশি যাত্রীরা। আগে ঈদযাত্রা নিয়ে আতঙ্ক থাকলেও, তা এখন অনেকটাই কেটে গেছে বলেও জানান তারা।
এদিকে নাশকতার কোন শঙ্কা না থাকলেও, যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছেন।
গত তিন এপ্রিল শুরু হয় ট্রেনে ঈদযাত্রা। শুরুর প্রথম তিনদিন যাত্রীচাপ ছিলো একেবারেই কম। শনিবার থেকে কিছুটা বাড়তে থাকে।
এবার লম্বা ছুটি থাকায় ভাগে ভাগে যাচ্ছেন যাত্রীরা। তাই ঈদযাত্রায় কমলাপুর স্টেশনের চিরচেনা সেই রূপ দেখা যাচ্ছে না এখনো।
আগের চেয়ে এবারের ঈদযাত্রা অনেক আরামের হয়েছে বলেও জানান যাত্রীরা। তবে মঙ্গলবার পাল্টে যেতে পারে এই চিত্র। তখন যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ থাকবে বলে মনে করছেন রেলের কর্মকর্তারা।
এছাড়া ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে স্ট্যান্ডিং টিকেটের চাহিদা। যাত্রীদের চাপ সামলাতে চালানো হচ্ছে কয়েক জোড়া বিশেষ ট্রেন।
আর যাত্রী সেবা নিশ্চিত করতে তিন স্তরে টিকেট চেক করা হচ্ছে। ঈদযাত্রার জন্য স্টেশনে আসা যাত্রীদের টিকেট চেক করে ভেতরের যেতে দেয়া হচ্ছে। টিকেট ছাড়া কেউ স্টেশনে প্রবেশ করতে পারছেন না।
স্টেশনে ঢুকে প্ল্যাটফর্মের ভেতরে প্রবেশ করতে আবারো দেখাতে হচ্ছে টিকিট। সেসব টিকিট স্ক্যান করে তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পরই ভেতরে যেতে পারছে যাত্রীরা।
এবার ঈদে যাত্রী চাপ সামাল দিতে কমলাপুর স্টেশনে প্রবেশের জন্য করা হয়েছে আলাদা গেট। বাঁশ দিয়ে নির্মাণ করা এসব অস্থায়ী গেটের সামনে দায়িত্ব পালন করছেন রেলওয়ের নির্ধারিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বসানো হয়েছে বেশ কয়েকটি সংস্থার অস্থায়ী বুথ। পুলিশ, আরএনবি, র্যাব সদস্যদের এসব বুথে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।
আর দালালের দৌরাত্ম্য ও টিকেট কালোবাজারি না থাকায় বাড়তি যাত্রী যাওয়ার সুযোগও নেই বলে জানিয়েছেন রেল কর্মকর্তারা।
ট্রেনে ঈদযাত্রার পঞ্চমদিনে যাত্রীচাপ