প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আলোচনার আহ্বানে সাড়া না দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।
শনিবার ফেসবুকে এক পোস্টে আসিফ লিখেছেন, ‘যখন আমরা ডিবি অফিসে বন্দি ছিলাম তখনই প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে আন্দোলন স্থগিত করতে বলা হয়। এমনকি জোর করে গণভবনে নিয়া যাওয়ার পরিকল্পনাও চলছিলো। এই প্রস্তাবের প্রতিবাদে ও মুক্তির দাবিতে আমরা অনশনে বসেছিলাম।’
তিনি লেখেন, ‘আপোষহীনতার মূল্য যদি মৃত্যুও হয় তাও পরিশোধ করতে প্রস্তুত আছি। ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ আহ্বান করছি।’
এর আগে আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এবিষয়ে অনেকেই জানতে চাচ্ছেন, বিশেষত সাংবাদিক বন্ধুগণ। খুনি সরকারের সাথেই কোন প্রকার সংলাপে বসতে আমরা রাজি নই, সেখানে রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাথে আলোচনার প্রশ্নই উঠে না।’
আসিফ লেখেন, ‘তাদের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের দাবি অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাদের কোন বক্তব্য থাকলে দেশবাসীর সামনেই মিডিয়া মারফত তা রাখতে পারেন। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। গুলি আর সন্ত্রাসের সাথে কোন সংলাপ হয় না।’
এর আগে দুপুরে গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, গণভবনের দরজা শিক্ষার্থীদের জন্য সব সময় খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। সব বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। আমি আর সংঘাত চাই না।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার পর আটক সাধারণ শিক্ষার্থীদের মুক্তির দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে।
আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসতে চান প্রধানমন্ত্রী
আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর