ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি সামরিক আগ্রসনে সহযোগিতার অভিযোগে পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) কয়েকটি দেশকে কড়া বার্তা দিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে এসব দেশের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলার ইঙ্গিতও দিয়েছে ইরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে আঞ্চলিক দেশগুলোকে এ নিয়ে কড়া বার্তা দেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) ইরানি সংবাদমাধ্যম পার্সটুডে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার ব্র্যাড কুপারের একটি ভিডিও প্রকাশ করে বাকায়ি দাবি করেন, ওই ভিডিওতে বলা হয়েছে—পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) পাঁচটি সদস্য দেশ এবং জর্ডান ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রসনে সহযোগিতা করেছে।

বাকায়ি বলেন, সেন্টকমের কমান্ডার প্রকাশ্যে এসব দেশের নাম উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী সামরিক আগ্রাসনে তাদের অংশগ্রহণের কথা বলেছেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি এ দাবি সত্য না হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে তা অস্বীকার করছে না কেন। তিনি তাদের এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার বৈধ অধিকারের ভিত্তিতে ইরান যদি ওই দেশগুলোর ভূখণ্ডে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও সহায়ক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে, তাহলে সেই পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকবে না।
বাকায়ির ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা ও সংঘাতের মূল কারণ হলো ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসন।
তিনি বলেন, এ ধরনের আগ্রাসনে কোনো দেশের সামরিক সহায়তা বা অবকাঠামোগত সহযোগিতা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৩৩১৪ নম্বর প্রস্তাবে বর্ণিত 'আগ্রাসনের সংজ্ঞা'র আওতায় পড়ে এবং তা জাতিসংঘ সনদ ও সুপ্রতিবেশী সম্পর্কের নীতির পরিপন্থী।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের যে কোনো আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপের লক্ষ্য হবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র
অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক, তবে মোদীর আশ্বাসেও থামেনি আন্দোলন