বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহত ও আহতদের তথ্য চেয়ে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও কবরস্থান কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
সোমবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তদন্তের অংশ হিসেবে দেশের সব প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কাছে তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ চেয়েও চিঠি দেয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পুনর্গঠন করে চিফ প্রসিকিউটার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তাজুল ইসলামকে। একই সঙ্গে প্রসিকিউটার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আরও চার আইনজীবীকে।
তাজুল ইসলাম গত সরকারের আমলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার চলাকালে জামায়াত নেতাদের আইনজীবী ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার সকল আলামত সংগ্রহ করা, এখন তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। গণহত্যার দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় দায়ের হওয়া অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকেসহ পলাতক সকল আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
তদন্ত চলাকালে আসামিদের গ্রেপ্তারের আবেদন করার কথাও জানান তিনি। এছাড়া দ্রুত নিরপেক্ষ বিচারক নিয়োগ দেয়ার কথাও জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর।
দায়িত্ব গ্রহণের পর রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা অধিকাংশ মামলার প্রধান আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি করা।
শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: তাজুল