সাহসী ও স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রথম শর্তই হলো গণমাধ্যমকর্মীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তাই সবার জন্য একটি ন্যূনতম বেতন কাঠামো তৈরির সুপারিশ করবে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন। কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষার জন্য গনমাধ্যম সুরক্ষা আইনের কথাও ভাবছে এই সংক্রান্ত কমিশন।
বিগত বছরগুলোতে সাংবাদিকদের নামে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ হয়রানি ও নির্যাতন প্রতিরোধে একটি স্বাধীন কমিশনের সুপারিশও করা হবে।
বস্তুনিষ্ঠ,শক্তিশালী ও স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষে গনমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন হয় গেলো ১৮ নভেম্বর। প্রতিবেদনের দেয়ার জন্য কমিশনকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় দিয়েছে সরকার। তাই মার্চের শেষ সপ্তাহেই প্রতিবেদন জমা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।
সাংবাদিকদের আর্থিক নিরাপত্তা না থাকলে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদে আপোসের শঙ্কা তৈরি হয়। সেই সাথে অর্থনৈতিকভাবে বিপন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে টেকসই করেত ভালো বিজনেস মডেল তৈরি ও এ সংক্রান্ত সুপারিশ মালার কথা ভাবছেন কমিশন প্রধান কামাল আহমেদ।
কমিশন প্রধান, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান আরও জানান, গণমাধ্যম কর্মীদের ন্যূনতম মর্যাদাপূর্ন বেতন কাঠামো তৈরির আলোচনাও থাকবে প্রতিবেদনে।
কামাল আহমেদ বলেন, সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পাশাপাশি জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের বিষয়েও ভাবছে কমিশন। সেইসাথে সাংবাদিক মারলে বিচার হয় না; দায়হীনতার এমন সংস্কুতি থেকে বের হতে গনমাধ্যম সুরক্ষা আইনের প্রস্তাব থাকবে প্রতিবেদনে। সেইসাথে রাষ্ট্র যাতে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সুরক্ষার দায়িত্ব নেয়; সেটিও নিশ্চিত করতে চায় কমিশন।
প্রেস কাউন্সিলকে শধু সংবাদপত্রের জন্য সীমিত না রেখে সম্প্রচার কমিশনসহ একটি নতুন কাঠামোর সুপারিশ করা হবে। যেখানে টেলিভিশন রেডিও ও অনলাইনকেও অন্তভূক্ত করার কথা ভাবছে কমিশন।
