বহর বাড়ছে বিমান বাংলাদেশের। দ্রুতই লিজ নেয়া হবে চারটি বিমান। আর কিনতে দুই কোম্পানি এয়ারবাস ও বোয়িংয়ের প্রস্তাব যাচাই-বাছাই চলছে। হাসিনা সরকারের সময় দেয়া প্রস্তাবের চেয়ে এবার কম দর চেয়েছে এয়ারবাস।
২০২৩ সালে সেপ্টেম্বরে ঢাকা সফরে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সে অনুযায়ী বিমান বোর্ড এয়ারবাসের চারটি এয়ারক্রাফট কেনার অনুমোদন দেয়। যার প্রতিটির দাম প্রায় ১৮০ মিলিয়ন ডলার করে। যেখানে প্রতিটি উড়োজাহাজের জন্য অফেরতযোগ্য পাঁচ মিলিয়ন ডলার প্রতিশ্রুতি ফি দেয়ার প্রস্তাব থাকে এয়ারবাসের। বিপরীতে বোয়িংয়ের প্রস্তাবে সে মূল্য সব মিলিয়ে ছিলো এক মিলিয়ন ডলার।
তবে চুক্তিটি করার আগেই শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। আর এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে অন্তর্বর্তী সরকার। পরবর্তীতে আলোচনাটিই বন্ধ করে দেয় তারা।

নতুন করে বিমানের এয়ারক্রাফট কেনার আলোচনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বোয়িং থেকে দেয়া হয়েছে প্রস্তাব। আর এয়ারবাসও আগের অবস্থান থেকে সরে এসে নতুন করে প্রস্তাব দিয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বুসরা ইসলাম জানান, নতুন বিমান কিনলেও আসবে ২০৩২ সালের দিকে। সামনে হজ ঘিরে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিমানের ফ্লাইটে এয়ারক্রাফট প্রয়োজন। তাই জরুরি ভিত্তিতে অন্তত চারটি বিমান লিজে নিতে চায় রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এই সংস্থাটি।
তিনি জানান, বিমানের বহরে এখন এয়ারক্রাফট আছে একুশটি। উড়োজাহাজ স্বল্পতা দেখিয়ে বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট কমানো ও বন্ধ করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
পশ্চিম তীরে ‘ইসরাইলি সার্বভৌমত্ব’ চাপিয়ে দেয়ায় বাংলাদেশের নিন্দা