বাংলাদেশ ও উরুগুয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক পরামর্শ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পর বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দু’দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক পরামর্শ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমঝোতা স্মারকটি দু’দেশের মধ্যে নিয়মিত, কাঠামোগত এবং ব্যাপক সংলাপের জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
বাংলাদেশ ও উরুগুয়ে ১৯৭২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং বাংলাদেশে উরুগুয়ের নন-রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত আলবার্তো আন্তোনিও গুয়ানি আমারিল্লা সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন এবং নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
আলোচনায় উভয় পক্ষ বিদ্যমান সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রের পর্যালোচনা করে। বাংলাদেশ পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জ্বালানি, কৃষি, ক্রীড়া এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার প্রস্তাব করে।
দুই দেশই তাদের শীর্ষ বাণিজ্যিক সংগঠনগুলোর মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগসহ বেসরকারি খাতের সহযোগিতা উৎসাহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
উরুগুয়ে পক্ষ কৃষি, মৎস্য ও পশুসম্পদ, জ্বালানি এবং ক্রীড়াসহ অন্যান্য অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে।
উভয় দেশ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে মতবিনিময় করে এবং জাতিসংঘের কাঠামোর মধ্যে বহুপাক্ষিকতা ও সহযোগিতার প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল উরুগুয়ে পক্ষকে রোহিঙ্গা মানবিক সংকট সম্পর্কে অবহিত করে এবং এ বিষয়ে উরুগুয়ের অব্যাহত আন্তর্জাতিক সমর্থন কামনা করে।
প্রতিনিধিদলগুলো ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে পরবর্তী দফা পরামর্শ আহ্বান করতে সম্মত হয়। তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুসংহত ও অগ্রগতির জন্য উচ্চপর্যায়ের আদান-প্রদান ও সফরের গুরুত্বও তুলে ধরে।
নওগাঁয় সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড