গুম ও মানবাধিকার অধ্যাদেশ নিয়ে বিতর্ক, অবিচার না হওয়ার আশ্বাস

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৮ পিএম

গুম ও মানবাধিকার সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ বাতিল এবং সেগুলোকে নতুন করে আইনি রূপ দেওয়া নিয়ে জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক হয়েছে। বিরোধী দল এই অধ্যাদেশগুলো বাতিলের সমালোচনা করলেও আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান দাবি করেছেন, আগের অধ্যাদেশগুলো হুবহু পাস করলে গুমের শিকার পরিবারগুলোর ওপর অবিচার করা হবে।

রোববার (৫ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে এ নিয়ে আলোচনা তোলেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি অধ্যাদেশগুলো বাতিল না করার আহবান জানান।

বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে করা গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার এবং জাতীয় মানবাধিকার সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ বর্তমান সরকার বাতিল করছে না, বরং সেগুলোকে আরও যুগোপযোগী করতে কাজ করছে।

তিনি বলেন, আগের অধ্যাদেশগুলো হুবহু বিল আকারে পাস করা হলে গুমের শিকার পরিবারের ওপর অবিচার করা হবে। অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই ছাড়া না পায়, সেজন্য সুনির্দিষ্ট বিল আনা হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, আইন দুটিকে আরও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকারী ও কার্যকর করতে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। শিগগিরই এগুলো নতুন বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করা হবে।

সংসদে জানানো হয়, অন্তর্বর্তী সরকার তাদের আমলে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করেছিলো। সংসদীয় কমিটির যাচাই-বাছাইয়ের পর ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু এবং ১৫টি সংশোধিত আকারে উত্থাপনের সুপারিশ করেছে কমিশন। বাকি ২০টির মধ্যে চারটি বাতিল করে ১৬টি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এই তালিকার মধ্যেই রয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দুটি।

আলোচনার শুরুতে এক পয়েন্ট অব অর্ডারে বিরোধীদলীয় নেতা বাতিল করা অধ্যাদেশগুলো নিয়ে বিশদ আলোচনার সুযোগ চান। মীর আহমাদ বিন কাসেম সংসদকে জানান, গুমের শিকার পরিবারগুলো দীর্ঘকাল ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় আছে, তাই এই সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া যেন বাধাগ্রস্ত না হয়।

সরকার পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, গুম ও মানবাধিকার রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না এবং দ্রুততম সময়ে নতুন আইন পাসের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

একাত্তর/এসি
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, শেখ হাসিনার মাফিয়া শাসনামলে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে গুম ও ভীতির সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়।
দেশে গত ছয় মাসে বিচারবহির্ভূত কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটেনি বলে জানিয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গুমের ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধী যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো 'আয়নাঘর' থাকবে না।
গুমকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার গুমের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ...
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অব্যবস্থাপনা ও...
হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার আর বিটকয়েনে অর্থ পাচারের গুরুতর অভিযোগে এবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জালে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আসিফসহ আরো চার...
সবাইকে কেবল চিকিৎসক কিংবা প্রকৌশলী হতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ পছন্দের ক্ষেত্রে মেধার বিকাশে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করবে বলে জানিয়েছেন...
সংবিধান সংস্কার ছাড়া জুলাই আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর