আগামী মাসে ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করবে মাইক্রোসফট। কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক মন্দাকে দায়ি করছে প্রতিষ্ঠানটি।
চাকরি ছাঁটাই পাঁচ শতাংশেরও কম কর্মচারীদের প্রভাবিত করবে এবং ফেসবুক-মালিক মেটা, অ্যামাজন এবং টুইটারের অনুরূপ পদক্ষেপের অনুসরণ করবে যা একসময়ের অযোগ্য প্রযুক্তি খাতে হাজার হাজার ছাঁটাই ঘোষণা করেছে।
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা একটি মার্কিন নিয়ন্ত্রক ফাইলিংয়ে বলেছেন, ‘ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা এবং গ্রাহকদের অগ্রাধিকার পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে’ এই কাটছাঁট করা হয়েছিল।
করোনাভাইরাস মহামারীর ভয়াবহতার সময় যখন লোকেরা কাজ, কেনাকাটা এবং বিনোদনের জন্য অনলাইনে যাওয়ার সাথে সাথে কোম্পানিগুলো চাহিদা মেটাতে ঝাঁকুনি দেয়। তখন বরখাস্তগুলো একটি বড় নিয়োগের প্ররোচনা অনুসরণ করে।
ঘোষণার ঠিক আগে ছাঁটাই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেলা বলেন, ‘কেউই মাধ্যাকর্ষণকে অস্বীকার করতে পারে না’ এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির দিকে ইঙ্গিত করেছেন যা বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করছে।
মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে মাইক্রোসফটের ফাইলিং বলেছে, কাটব্যাকের ফলে তাদের পরবর্তী ফলাফল ঘোষণায় ১.২ বিলিয়ন চার্জ করা হবে।
ওয়াশিংটন-ভিত্তিক রেডমন্ড কোম্পানিটি বছরের মধ্যে সবচেয়ে ধীরগতির রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়ার সময় ২৪ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে।
নাদেলা প্রকাশিত কর্মীদের উদ্দেশ্যে একটি নোটে বলেছেন, ‘আমরা যেমন মহামারী চলাকালীন গ্রাহকদের তাদের ডিজিটাল ব্যয়কে ত্বরান্বিত করতে দেখেছি, আমরা এখন তাদের ডিজিটাল খরচ কম করে আরও বেশি করার জন্য অপ্টিমাইজ করতে দেখছি।’
আরও পড়ুন: আমেরিকার আরও ২০ রাজ্যে নিষিদ্ধ হলো টিকটক
তিনি বলেছিলেন, সংস্থাগুলো সর্বত্র ‘সতর্কতা অবলম্বন করছে কারণ বিশ্বের কিছু অংশ মন্দার মধ্যে রয়েছে এবং অন্যান্য অংশগুলো একটির প্রত্যাশা করছে।’
নিউজ সাইট ‘অ্যাক্সিওস’ অনুসারে মাইক্রোসফট ইতোমধ্যেই দুই দফা কর্মী ছাঁটাই করেছে। জুলাইয়ে এবং অক্টোবরে এক হাজারেরও কম লোককে চাকরীচ্যুত করেছিল।
একাত্তর/আরএ
