শতবর্ষ উদযাপনের বর্ণাঢ্য আয়োজনে সেজে উঠছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে মূল আয়োজন হলেও তিনটি স্থান থেকে দর্শকরা দেখতে পাবেন অনুষ্ঠানমালা।
অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি। উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান বললেন, শতবর্ষে দাঁড়িয়ে জ্ঞানচর্চা আর গবেষণাকেই বেশি গুরুত্ব দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
করোনা মহামারীকাল শুরুর পর এই প্রথম এতো বড় কোন আয়োজন করতে যাচ্ছে, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসাবে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
যে প্রতিষ্ঠান পেরিয়েছে শত বছর, তার আয়োজনে দেশ-বিদেশি অতিথি আসবেন এটাই স্বাভাবিক। কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে হবে বর্ণীল আয়োজন।
কতোশত আয়োজন। নিরাপত্তায় তাই ছাড় নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী জানান, ক্যাম্পাসে যান চলাচলে দুপুর পর্যন্ত থাকবে বিধি-নিষেধ।
শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে ক্যাম্পাস বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। উপাচার্য ভবন, কার্জন হল, কলাভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়কে আলোকসজ্জা শোভা পাচ্ছে।
মূল আয়োজন খেলার মাঠে হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কলাভবনের বটতলা আর মহসিন হলের মাঠে থাকবে প্রজেক্টরের মাধ্যমে অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন: আফ্রিকা থেকে ফিরলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন
প্রথম ধাপে চার ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে শতবর্ষপূর্তির নানা আয়োজন। বুধবার সকালে যার উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি। গোটা আয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি মানাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে শতবর্ষের তথ্যচিত্র প্রদর্শন ও ‘থিম সং’ পরিবেশন করা হবে। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রকাশিত গ্রন্থ ও ওয়েবসাইট উদ্বোধন করবেন।
অনুষ্ঠানে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই লোটে শেরিং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করবেন। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।
উৎসবের উদ্বোধনী দিনসহ ২-৪ ডিসেম্বর ও ১২ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিকাল চারটায় আলোচনা সভা এবং সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটায় বসবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
১২ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এক বিজয় শোভাযাত্রা বের হবে।
একাত্তর/এসজে
