নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে তিনশ’রও বেশি নাম জমা পড়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জাসদসহ মোট ৩০টি দল ও পেশাজীবী সংগঠন নামের তালিকা জমা দিয়েছে।
বিএনপি ও সিপিবিসহ তাদের জোটভুক্ত নিবন্ধিত দলগুলো কোন নাম জমা দেয়নি। শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত প্রস্তাবিত নামের তালিকা জমা দেয় রাজনৈতিক দলগুলো।
নাম জমা পড়াদের মধ্যে সাবেক সেনাপ্রধান, সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নাম রয়েছে। অনেকে ব্যক্তি পর্যায়ে সার্চ কমিটির কাছে পছন্দের নামও প্রস্তাব করেছেন।
নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে সার্চ কমিটিতে নাম জমা দেয়ার শেষ সময় ছিলো শুক্রবার বিকাল পাঁচটা। ছুটির দিন হলেও প্রস্তাবিত নাম জমা নিতে সচিবালয়ে খোলা ছিলো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নামের তালিকা জমা দেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। যেখানে দলটি প্রতিটি পদের বিপরীতে দুই জন করে মোট ১০ জনের নাম দিয়েছে।
দলটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ ও উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব শফিউল আজিমের কাছে নামের তালিকা জমা দেন। তবে এই তালিকায় কারা আছেন সেটি প্রকাশ করেননি নেতারা।
আরও পড়ুন: সার্চ কমিটিতে ১০ জনের নাম আওয়ামী লীগের
এছাড়া, জাতীয় পার্টি, জাসদ, বিকল্পধারা, ওয়ার্কার্স পার্টি, তরিকত ফেডারেশনসহ বেশ কয়েকটি দল তাদের তালিকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিলেও কারও নাম প্রকাশ করেননি কেউ।
নাম জমা নেয়ার কাজটি তদারকির জন্য শুক্রবারেও সচিবালয়ে আসেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তবে সাংবাদিকদের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, শেষ সময় পর্যন্ত ২৪টি রাজনৈতিক দল ও ৬টি পেশাজীবী সংগঠন থেকে নামের প্রস্তাব এসেছে। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৩৯টি।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন গঠনে শনি ও রোববার তিন দফায় মোট ৬০ জন বিশিষ্টজন নাগরিকের সঙ্গেও সাথেও কথা বলবে সার্চ কমিটি।
পরে সবার প্রস্তাবনা যাচাই বাছাই শেষে সিইসি ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নামের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেবে সার্চ কমিটি। সেখান থেকে একজন সিইসি ও চারজন নির্বাচন কমিশনারের নাম চূড়ান্ত করবেন রাষ্ট্রপতি।
