নেত্রকোণায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে প্রতিটি নদ-নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হচ্ছে নতুন এলাকা। এ পর্যন্ত জেলার ১০টি উপজেলা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে, পানিবন্দি হয়ে পড়েছে পায় পাঁচ লাখ মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, সোমবার (২০ জুন) সকালে উব্দাখালী নদী পানি বিপদসীমার ১০০ সেন্টিমিটার, কংস নদীর পানি ২৭ সেন্টিমিটার এবং ধনু নদীর পানি ৬৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে বাড়ছে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোণা, কলমাকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাইরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছেন শিশুসহ ১১ জন।
অপরদিকে জেলায় বন্যা কবলিত মানুষের সহযোগিতায় প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ কেউ কেউ ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

তবুও জেলার বেশির ভাগ উপজেলার পানিবন্দি গ্রামের মানুষ রয়েছে খাদ্য সংকটে। পাশাপাশি গৃহপালিত পশুগুলোর সংকট তীব্র হয়ে উঠছে। দেখা দিয়েছে সাপে কাটার আতংকও।
বন্যার্তদের সহায়তার জন্য খালিয়াজুরী ও মদন উপজেলায় সেনাবাহিনী ও বিজিবি কাজ করছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে তলিয়ে গেছে ১১ হাজার হেক্টর জমির ফসল
সেখানে তারা পানিবন্দিদের উদ্ধার করে নিরাপদে নিচ্ছেন। এছাড়া বাহিনী দুটি বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের কাজও করছে।
এদিকে, কবলিত গ্রামগুলোর সড়ক ডুবে গিয়ে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য জেলা ও উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
একাত্তর/এসি
