চট্টগ্রামে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে আসা দুই রোহিঙ্গা ও পাঁচ ডাটা এন্ট্রি অপারেটরসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- নুরুল আবছার, শামসুর রহমান ওরফে শামসু মাস্টার, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ইয়াছিন আরাফাত, নুর নবী ওরফে অনিক, মিজানুর রহমান, ফরহাদুল ইসলাম, ইমন দাশ এবং রোহিঙ্গা নাগরিক কামাল হোসেন ও পারভীন আক্তার।
গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আলী হোসেন জানান, মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) নগরীর হালিশহর হাউজিং এস্টেট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার হতে ছবি তুলতে যান রোহিঙ্গা নাগরিক কামাল ও পারভীন।
গোপন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ও দুই ‘দালালের’ বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়।
তারা জানায়, ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ছবি, আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ প্রিন্ট নেয়া হচ্ছিল পাহাড়তলী নির্বাচন অফিসের অধীনে হালিশহর হাউজিং এস্টেট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে।
সেখানে দুই রোহিঙ্গাকে আটকের পর দায়িত্বরত ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের মধ্যে পাঁচজনের মোবাইলে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: মেঘনায় ঝড়ের কবলে নৌকা, নিখোঁজ তিন কৃষক
উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আলী হোসেন আরো জানান, আটক নুরুল আবছার ও শামসু মাস্টার বিভিন্ন স্থান থেকে রোহিঙ্গাদের সংগ্রহ করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে সহায়তা করেন।
পুলিশ জানায়, ভোটার তালিকা হালনাগাদের সুযোগে অবৈধভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে নিচ্ছে রোহিঙ্গারা। যার জন্য তারা বেছে নিচ্ছেন মহানগর এলাকা।
একাত্তর/এসজে
