কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম ওরফে রতন ভুঁইয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত তিন জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে একজনকে যাবজ্জীবন সাজা, এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডসহ অনাদায়ে আরও দুই মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এক নং আদালতের বিচারক মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়ারা হলেন- কটিয়াদী উপজেলার মধ্যভাট্টা গ্রামের ফুরকান ভুঁইয়া, একই গ্রামের সাহেদ ভুঁইয়া ও অ্যাংগু ভুঁইয়া।
অপর সাজা পাওয়া আসামির নাম মস্তুফা ভুঁইয়া। এছাড়া বিচার চলাকালে জমশেদ ভুঁইয়া নামে এক আসামি মারা যাওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি এবং আহাম্মদ নামের আরেক আসামি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তার মামলা শিশু আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলার এজাহারে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রতন ভুঁইয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী ফোরকান ভূঁইয়ার বিরোধ চলছিল। এর জেরে ২০১৩ সালে ২৯ আগস্ট রাত ৯টার দিকে বাড়ি ফেরার সময় ফোরকানের লোকজন রতনকে কুপিয়ে আহত করে। পরে ওই বছর দুই সেপ্টেম্বর রাজধানীর একটি হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: তুরস্কে ভূমিকম্পের পর নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই আনার ভুঁইয়া হত্যা চেষ্টা, হামলা ও আহত করার অভিযোগ এনে ছয়জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে রফিকুল ইসলাম মারা গেলে এটি হত্যা মামলায় পরিণত হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কটিয়াদী মডেল থানার এসআই রাখাল দেবনাথ ২০১৪ সালের আট জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট যজ্ঞেশ্বর রায় চৌধুরী। আর আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আজিজুল হক মিন্টু।
একাত্তর/এসি
