দক্ষিণ কোরিয়ায় বন্যায় নিহত বেড়ে ৩৯

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২৩, ১১:১৫ এএম

দক্ষিণ কোরিয়ায় গত কয়েকদিনের তুমুল বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় নিহতের সংখ্যা ৩৯ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়া টানেল থেকেই এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ জনের মরদেহ। 

জুনের শেষের দিকে শুরু হওয়া বর্ষাকাল চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোয় বৃহস্পতিবার থেকে দেশটির মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সারা দেশে ৯ জন নিখোঁজ এবং ৩৪ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছে।

এত মানুষের মৃত্যুর জন্য দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া বিধি অনুসরণে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। 

চেওংজু শহরের একটি টানেলে শনিবার ১৬টি যান আকস্মিক বন্যায় ডুবে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

বন্যার ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধ ও সাড়া দেয়ার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রচেষ্টা নিয়ে এই ঘটনাটি প্রশ্ন তুলেছে। নিয়মিত ওই রাস্তা ব্যবহারকারী কিছু চালক ব্যাপকভাবে বন্যার পূর্বাভাস দেওয়া সত্ত্বেও আন্ডারপাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য সরকারকে দায়ী করেন।

আবহাওয়ার ধরণ আরও চরম হয়ে ওঠার কারণে দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ে বর্ষাকালে বন্যায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। 

গত বছর ১১৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভারী বর্ষণে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর পর সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় আরও ভালোভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। 

সোমবার এক বিদেশ সফর থেকে ফিরে প্রেসিডেন্ট ইওল দুর্যোগ প্রতিক্রিয়ার উপর একটি আন্তঃ-সংস্থা সভা আহ্বান করেন। 

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা গত বছর থেকে বারবার বিপজ্জনক এলাকায় চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং আগাম উচ্ছেদের উপর জোর দিয়েছি, কিন্তু যদি দুর্যোগ প্রতিক্রিয়ার মৌলিক নীতিগুলো অনুসরণ করা না হয়, তাহলে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন। 

আরও পড়ুন: ক্রিমিয়া সেতুতে বিস্ফোরণের দাবি, যান চলাচল বন্ধ

তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান এবং বন্যাকবলিত এলাকাগুলোকে বিশেষ দুর্যোগ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করাসহ পুনরুদ্ধারের কাজ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।


একাত্তর/এসজে

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পঞ্চম দিনেও থামেনি উদ্ধার অভিযান। এবার ধ্বংসস্তূপ ও কাদায় আটকে থাকা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে পৌঁছাতে ড্রিলিং শুরু করেছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫০ জনে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজার ৪৪ জন। রোববার দুর্যোগের পর পঞ্চম দিনে এসেও থামেনি উদ্ধার অভিযান, মিলছে মরদেহ।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের চারদিন পরও প্রায় তিন হাজার মানুষের সন্ধান মেলেনি। বুধবার হিমালয় অঞ্চলে বরফ, কাদা, পানি ও ধ্বংসাবশেষের সুনামির মতো স্রোতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে...
নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন শত শত মানুষ। তাদের মধ্যে অন্তত ৩৮৪ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারী রয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ধর্ম বা অন্য কোনো বিভাজনের ভিত্তিতে নয়, বরং দেশের প্রতিটি মানুষ নাগরিকত্বের ভিত্তিতেই সমান অধিকার ও নিরাপত্তা ভোগ করবে।
সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় হিন্দু সম্প্রদায়ের আরাধ্য ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি, শুভ জন্মাষ্টমী ধর্মীয় যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। 
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ২৪টি কোম্পানির মাধ্যমে এস আলম-সংশ্লিষ্টদের দ্বারা বেআইনিভাবে কেন্দ্রীভূত ও নিয়ন্ত্রণের অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রুল জারি করেছে...
দুর্গত এলাকায় চলছে ব্যাপক উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান। এর মধ্যেই ভয়াবহ বন্যার ৯ দিন পর নেপালের একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর