জেলার হাসপাতালগুলোতে রোজই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। অনেক জায়গায় দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। চিকিৎসকরা বলছেন, শুরুতে বেশিরভাগ রোগী ঢাকা ফেরত ছিলেন। কিন্তু এখন বাড়ছে স্থানীয় রোগীর সংখ্যা।
এ পরিস্থিতি জ্বর হলেই পরীক্ষা করানোর পাশাপাশি তরল খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
চট্টগ্রাম মেডিকেলে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ডেঙ্গু আক্রান্ত ৮৭ জন। সব মিলে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩৮০ জন।
ডেঙ্গু নিয়ে নগরবাসী আতঙ্কে থাকলেও জ্বর হলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. আবুল ফয়সাল মাহমুদ বলেন, আমরা রোগীদের সব সময় বলছি, জ্বরের সময় ডেঙ্গুর কোন লক্ষণ দেখা গেলেই দ্রুত পরীক্ষা করাতে হবে।
ময়মনসিংহ রোগীর চাপ বাড়ায় মেডিকেলে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। অনেক রোগীকে থাকতে হচ্ছে হাসপাতালের বারান্দায়।
রাজশাহী মেডিকেলে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আটজন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, শুরুতে বেশিরভাগ রোগী ঢাকা ফেরত হলেও এখন বাড়ছে স্থানীয় রোগী।
রামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. তানজিলুল বারি জানান, যারা ভর্তি হয়েছেন তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক না।
মঙ্গলবারও জমে থাকা পানি পরিষ্কার না করায় একজনকে আটক ও একটি পেট্রোল পাম্পের মালিককে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
খুলনাতেও জোরদার হয়েছে মশক নিধন কার্যক্রম। সেখানে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। মৃত্যু হয়েছে একজনের।
যশোরে নতুন ৯ জনসহ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩২ জন। ডেঙ্গুর প্রতিরোধে নিয়মিত ছিটানো হচ্ছে মশার ওষুধ।
যশোরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক রাসেল বলেন, মশা নিধনে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আছে।
রাজবাড়ীতে জ্বর হলেই পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন সিভিল সার্জন। সেখানে এখন পর্যন্ত ৩১৯ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।
রোগী বাড়ায় পটুয়াখালী মেডিকেলে বাড়ানো হচ্ছে বেড। ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জনসহ চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪১ জন।
একাত্তর/আরএ
