দু'দিনের অতিবৃষ্টিতেই চকরিয়ার পেকুয়া চলে যায় পানির নিচে, এই বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়ে চকরিয়ার ১৮টি ও পেকুয়ার ৭টি ইউনিয়নের প্রায় তিন লাখ মানুষ।
বৃষ্টি কমলেও বন্যার পানি সরতে সময় লেগে যায় কয়েকদিন। অল্প বৃষ্টিতে এই বন্যার অন্যতম কারণ নদী ও খাল ভরাট হয়ে যাওয়া।
সোমবার চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ ও জেলা ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী পঞ্চাশজন দিনমজুরদের সাথে নিয়ে খাল খননের কাজ শুরু করে। ছাত্রলীগ তাদের খাল খনন কর্মসূচীর মাধ্যমে জানিয়ে দিলো বন্যা থেকে রক্ষায় নদী ড্রেজিং করে পানির স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনা জরুরী।

সরকারিভাবে খাল খনন করে বন্যার পরিস্থিতি মোকাবেলার সক্ষম করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের দৃষ্টিগোচর করার উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছায় খাল খননের এই উদ্যোগ বলে জানালেন জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।
সাদ্দাম হোসেন জানান, খাল নদী ভরাটের কারণে মূলত বন্যা ভয়াল আকার ধারণ করছে, তাই নদী ও খাল খনন জরুরী। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি গোচরের জন্য মূলত এই উদ্যোগ নিয়েছেন।
ছাত্রলীগের এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও। স্থানীয় চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম জানান, ছাত্রলীগ তার কাজটি করছে, এবার সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ভরাট নদী খাল ড্রিজিং না হলে আরো ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

পরে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করে ছাত্রলীগ।
এসময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, উপজেলা যুবলীগ নেতা সবুজ চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা আরফাতুল ইসলাম সহ ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রামু উলজেলার নোনাছড়িতে বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ সহ একাধিক সেচ্ছাসেবী কাজে অংশ নিয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ।

একাত্তর/এআর
