মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য স্পষ্ট করার আহবান সাংবাদিক নেতাদের

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:২৫ পিএম

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ওপরও ভিসানীতি প্রয়োগ হতে পারে- মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এমন মন্তব্যের সাথে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার। 

সোমবার ওয়াশিংটনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলীয় সদস্যদের ওপরই কেবল ভিসানীতি কার্যকর হয়েছে।

এদিকে, মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তার বক্তব্য স্পষ্ট করার আহবান জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেয়া একান্ত সাক্ষাতকারে ভিসা নীতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, গণমাধ্যমের ওপরও এটি প্রয়োগ হতে পারে। 

তবে সোমবার ওয়াশিংটনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, কাদের ওপর ভিসানীতি প্রযোজ্য হবে সেটি এরই মধ্যে স্পষ্ট করা হয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলীয় সদস্যদের ওপরই এটি প্রযোজ্য হবে।

তিনি আরও বলেন, ভিসা-সংক্রান্ত রেকর্ড গোপনীয়, ফলে সুনির্দিষ্ট সদস্য বা ব্যক্তি -কার জন্য এই নীতি প্রযোজ্য হবে, তার ঘোষণা তারা দেননি। তবে তারা এই বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নতুন ভিসা নীতি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য, ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

ভিসানীতি ঘোষণার অর্থ এই নয় যে, যুক্তরাষ্ট্র আলাদা করে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে সাংবাদিক নেতারা বলছেন, গণমাধ্যমকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হলে সেটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের মূলনীতির পরিপন্থী। এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে তার বক্তব্যটি স্পষ্ট করার আহবান জানান তারা। 

ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান রেজওয়ানুল হক রাজা বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবসময় যেমন বাক-স্বাধীনতাকে তাদের রাষ্ট্রের মূলনীতির একটি বলে বলে থাকে, তার সঙ্গে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের এই ভিসানীতি প্রয়োগের বিষয়টি মেলে না। 

নির্দিষ্ট কোন দলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নির্বাচনী সংবাদ প্রচারের ইতিহাস যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের থাকলেও, বাংলাদেশে এমন নজির নেই বলে মন্তব্য করেন সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির কারণে তার পরিবারের সদস্যরা ভিসানীতির আওতায় আসাটাও যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত মানবাধিকার পরিপন্থী।

গ্লোবাল টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, পিটার হাস যেভাবে বলেছেন- তাতে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের মিডিয়াকেও তারা মুঠোয় নিতে চায়। এর কারণে একটা ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এটার ফলে ‘সেলফ-সেন্সরশিপ’ বাড়বে বলে মনে করেন এই সিনিয়র সাংবাদিক।

তিনি বলেন, এর ফলে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের মনে একটা ভাবনা তৈরি হতে পারে- ‘কি করতে কি করবো, তার চেয়ে কিছু না করাই ভালো’। ফলে নির্বাচনে যে গণমাধ্যম যে ভূমিকাটা রাখতে পারতো, তা আর রাখবে না।

গণমাধ্যমকে উদ্দেশ্য করে রাষ্ট্রদূতের এমন মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইতে সরকার ও সম্পাদকদের প্রতি দাবি জানান সাংবাদিক নেতারা।

কানাডার বৃহত্তম ও অত্যন্ত ব্যস্ততম একটি সামরিক ঘাঁটিতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সশস্ত্র বাহিনীর চারজন সদস্য নিহত হয়েছেন এবং আরও বহু সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার বিকেলে...
শিক্ষা সংস্কার, শিক্ষক সংকট ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে শুরু হওয়া শিক্ষার্থী আন্দোলন এখন নজিরবিহীন গণ-উত্তেজনায় রূপ নিয়েছে। গত এক মাসের মধ্যে দেশের বৃহত্তম এই গণআন্দোলনের পর রোববার...
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে চলন্ত গাড়িতে পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জ থেকে প্রাণঘাতী হামলার চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক নতুন ভিডিও ফুটেজ সামনে এসেছে। মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় গত রোববার সন্ধ্যায় ফুটবল...
নিজের পদত্যাগ বা পদত্যাগের নির্দেশ সংক্রান্ত গুজব ও গুঞ্জন নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে মন্ত্রিপরিষদের যে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর