উদ্বোধনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। আগামী ২৮ অক্টোবর এই টানেল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে টানেলে ভেতর দিয়ে যানবাহন চলাচলে আগুন ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিমুক্ত রাখতে হয়ে গেলো মহড়া।
সোমবার এই মহড়ায় অংশ নেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে এক ঘণ্টার এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় টানেলের ভেতরে গাড়িতে আগুন লাগলে তা কীভাবে নেভানো হবে এবং দুর্ঘটনায় পড়া গাড়ি দ্রুততম সময়ে কীভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে তার মহড়া দেয় ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, টানেলের ভেতরে দুর্ঘটনা রোধে আমাদের প্রস্তাবনা হচ্ছে টানেলের দুই পাশে দুটো ফায়ার স্টেশন স্থাপন। এই স্থাপনার কাজটি টানেল কর্তৃপক্ষকেই করতে হবে, তবে লোকবল আমরা দেবো।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এই টানেল আগামী ২৮ অক্টোবর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই টানেল ঘিরে এখন থেকেই নিশ্চিত করা হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
চট্টগ্রাম মেট্রপলিটন পুলিশের ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাহতাব উদ্দিন জানান, আমরা দুই ধরণের নিরাপত্তার বিষয় নিয়েই কাজ করছি, প্রথমত ২৮ অক্টোবর উদ্বোধনের দিনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে ইতোমধ্যেই কাজ চলছে আর টানেল চালু হলে কি কি ধরণের অনিরাপদ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং আমরা কীভাবে টানেলের ভেতরে সবসময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারি সেসব বিষয় নিয়েও পুলিশ বিভাগ কাজ করছে।
১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা কর্ণফুলী নদীর দুই পাড় পতেঙ্গা ও আনোয়ারাকে সংযোগকারী টানেলটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪৩ কিলোমিটার। এটি পার হতে সময় লাগবে ৩ থেকে সাড়ে ৩ মিনিট।
এআর
উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল