বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকসহ দুই যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব, যে বিস্ফোরক দিয়ে প্রায় তিন হাজার শক্তিশালী বোমা বানানো সম্ভব বলে বাহিনীটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার দুইজনের কাছ থেকে বিস্ফোরক ছাড়াও প্রায় দেড়শ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করার জানিয়েছে র্যাব।
বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মঙ্গলবার রাতে ওই দুইজনকে রাজধানীর ফকিরাপুলের কালভার্ট রোড এলাকার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুইজন হলেন- বাবুল মিয়া ও মাসুদ শেখ। তারা যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই দুইজনই বিস্ফোরক সরবরাহকারী ছিলো বলে জানানো হয়েছে।
বাবুল মুগদা থানাধীন ৭২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের কাছ থেকে ছয় কেজি ১০০ গ্রাম উচ্চমাত্রার বিস্ফোরক পাউডার উদ্ধার করা হয়েছে, যা দিয়ে তিন হাজার শক্তিশালী বোমা বানানো সম্ভব।
‘গত ২৮ অক্টোবর থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত এই দুজন ৫০০ বোমা বানানোর মতো এক কেজিরও বেশি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক সরবরাহ করেছে।’
গত ৩০ অক্টোবর বাবুলের কাছে বিস্ফোরক সরবরাহ করেন মুগদা থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি যুবদলের ক্যাডার আল মামুন পান্না এবং জসিম উদ্দিন বাবু । পান্না ও জসিমের কাছে ওই বিস্ফোরক সরবরাহ করেন যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং যুবদল মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন ।
তফসিল ঘোষণার পর বড় ধরনের নাশকতার নির্দেশ দেন এই দুই নেতা ।
বোমাবাজ এই চক্রটির দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং বিএনপি নেতা নবী উল্লাহ নবী।
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনে নাশকতার চেষ্টা