রূপগঞ্জের পূর্বাচলে শেখ হাসিনা সরণিতে দুই প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে চার জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চার জন। তাদের মধ্যে একজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও তিন জনকে কুর্মিটোলা জেনালের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই সড়কের সুলফিনা এলাকায় এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে দুই জনের পরিচয় পাওয়ায় গেছে। তাদের একজন হলেন- রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকার ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম। আর ঢামেকে মারা যাওয়া যুবকের নাম মিলন (২৬)। তিনি একটি প্রাইভেটকারের চালক ছিলেন। মিলনের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার কালিদী গ্রামে।

আহতরা হলো, নিহত নুরুল ইসলামের ছেলে পাপ্পু, গাড়ি চালক শুক্কুর আলী, আরেক প্রাইভেকারের চালক মিলন, যাত্রী সজিবসহ পাঁচ জন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পূর্বাচল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার উদ্দিপন ভক্ত জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বেপরোয়া গতিতে আসা কুড়িল বিশ্বরোডগামী একটি যাত্রীবাহী প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারায়। এসময় গাড়িটি সড়কের একপাশ থেকে আরেক পাশে ছিটকে পড়ে। তখন কাঞ্চনগামী একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে ওই প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

তিনি আরও জানান, এসময় দুটি প্রাইভেটকারের চালকসহ আট জন গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে পূর্বাচল ফায়ার সার্ভিস, রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনালের হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের এডি লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাব্বির আহমেদ জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিন জর মারা যান। আহতদের মধ্যে দুই জনকে ঢামেক হাসপাতাল ও তিন জনকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় দুই জনকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নিয়ে আসা হয়। এসময় চিকিৎসক এক মিলন নামে এক যুবককে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আরেক যুবক ঢামেকে চিকিৎসাধীন। তার মরদেহ মর্গে রাখা আছে।
পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত প্রাইভেটকার দুটি জব্দ করেছে বলে জানা গেছে।
অবরোধ শুরুর সাতসকালে ঢাকায় বাসে আগুন