দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে ওঠা পর্যটন স্পট এখন সাজেক। পাহাড় আর মেঘের হাতছানি দেয়া জায়গাটি এখন দেশি বিদেশি পর্যটকদের পছন্দের শীর্ষে। যাতায়াত, আবাসন ও খাবারকে কেন্দ্র করে সেখানে তৈরি হয়েছে অনেক জীবিকা। তবে, বছরের শুরুতে কুকি চিনের হুমকি ও শেষভাগে হরতাল-অবরোধের কারণে এবার ভরা মৌসুমেও তেমন পর্যটক পাচ্ছে না সাজেক।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে গেলেই মনে হবে ঘুমের রাজ্য ছেড়ে মেঘের রাজ্যে ভাসা। এরি মাঝে আঁধারের বুক চিরে হঠাৎ সূর্যের হাসি। মিষ্টি রোদের নরম প্রলেপ মেখে প্রকৃতি জুড়ে আসে ভোর। সেই সাথে দিগন্ত জুড়ে মেঘেদের লুকোচুরি। এক হাজার আটশ’ ফুট উচ্চতার সাজেকের প্রতিদিনের সকালটা এমনই অসাধারণ ।
এই সৌন্দর্যের হাতছানিতে ছুটে আসেন বিদেশী পর্যটকরাও। এ মাটিতে ফলানো জুম ফসল, বিশুদ্ধ হাওয়া কিংবা জীব বৈচিত্রের সাথে সময় কাটাতে চান পর্যটকরা। তবে, এ বছর কখনও কুকি চীন, কখনো হরতাল অবরোধ মাটি করেছে পর্যটকদের আনন্দ। পর্যটনবাহী গাগিতেও হামলা হয়। সব মিলিয়ে ধাক্কা খেয়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও। হুমকির মুখে পড়েছে স্থানীয়দের জীবীকা।
চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষেই সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের সমাগম হয়েছে সাজেক ভ্যালিতে। রিসোর্টট-কটেজ মালিকরা জানান, রাজনৈতিক অস্থিরতায় মন্দার দিকে ঝুঁকে পড়া সাজেকের পর্যটনশিল্প হঠাৎ সরগরম হয়ে উঠে দুই দিনে পর্যটকদের সমাগমে। তবে এরপর আবারও সাজেকে পর্যটকদের ভিড় কমতে থাকে, ভরা মৌসুমেও তেমন জমছে না ব্যবসা।
করোনার পর কেবলই ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল সাজেকের পর্যটন। এরমধ্যে আবারও এ বছর ভরা মৌসুমে পর্যটক কম পাওয়ার ধাক্কা সামলাতে লাগবে অনেকটা সময় লাগবে। তাই অপার সম্ভাবনার এই অঞ্চলের পর্যটনকে এগিয়ে নিতে সবার আগে দরকার শান্তিময় পরিবেশ।
রাঙ্গামাটির ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার