বিএনপির হাফিজ-আলতাফের ২১ মাসের কারাদণ্ড

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:৫৩ পিএম

পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. হাফিজ উদ্দিন আহমদ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং বিএনপির সাবেক নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. হানিফকে  ২১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে পাঁচ  হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১১ সালে রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা মামলার রায়ে বিএনপির ৮ জনের ২১ মাসের সাজা দিয়েছেন আদালত।

রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত রোববার রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী। রায়ে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় ১১ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ আনা হয় যে, আসামিরা ২০১১ সালের ৪ জুন গুলশান থানার মহাখালী ওয়ারলেস গেট পানির ট্যাংকের সামনে রাস্তার ওপর অবৈধ সমাবেশ থেকে পুলিশের কাজে বাধা দেন এবং তাদের ওপর আক্রমণ করেন। রাস্তার চলাচল করা গাড়ি ভাঙচুর করা ও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

বিএনপির সমাবেশ ঘিরে রাজধানীতে নাশকতা ও সহিংসতা চালানোর পর গত ৫ নভেম্বর সকালে গাজীপুরের টঙ্গি থেকে আলতাফ হোসেনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আবু সাংবাদিকদের বলেন, আগুন দেওয়া জনতা ব্যাংকের স্টাফ বাসের ড্রাইভার জাকির হোসেন আদালতে সাক্ষী বলেছেন, বাসটি যখন মহাখালী পানির ট্যাংকের সামনে পৌঁছলে বিএনপির একটি মিছিল গতিরোধ করে। তখন আসামিরা গাড়ির গ্লাস ভাংচুর করে।  পরে ভাঙা গ্লাসের ফাঁকা জায়গা দিয়ে গাড়ির ভেতর আগুন দেয়। তখন যাত্রীসহ আমরা দ্রুত গতিতে বাস থেকে নেমে যাই। পরে পুলিশসহ আগুন নেভানো হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ ও মো আনিসুর রহমান বলেন, ঘটনার দিন এ মামলার আসামি আলতাফ হোহেন চৌধুরী তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী ছিলেন। তিনি কোনো অপরাধ করেন নাই। আদালতে সাক্ষীরা মিথ্যা বলেছে। রায়ে তারা আইনের বিচারটুকু পাননি।

রায় ঘোষনার পর আলতাফ হোসেনের পক্ষে আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করা হলে বিচারক তা নাকচ করে সাজা পরোয়ানা জারি করেন। আর পলাতক অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। 

এ মামলার দন্ডপ্রাপ্ত অন্য ৫ আসামিকে ৪২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন, এম এ আওয়াল খান, রাসেল, মইনুল ইসলাম, বাবুল হোসেন ও আলমগীর বিশ্বাস।

মামলার আসামিদের মধ্যে ছিলেন- অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. হাফিজ উদ্দিন আহমদ, অবসরপ্রাপ্ত এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত মেজর মো. হানিফ, এমএ আউয়াল খান, সাবেক কমিশনার এমএ কাউয়ুম, মো. দুলাল, মো. রাসেল, মঈনুল ইসলাম, তোফায়েল আহম্মেদ ওরফে লিটন, মো. বাবুল হোসেন ওরফে বাবু, মো. আলমগীর হোসেন ওরফে রাজু, মো. জাহাঙ্গীর শিকদার ওরফে বাবু, আরিফুল ইসলাম, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. সামসুল হক মিয়াজী, মো. বিপ্লব, মো. খুরশিদ আলম মমতাজ, মো. মোশারফ হোসেন ও মো. মাহাবুব।

আরবি
ঢাকার হাতিরঝিল এলাকায় দীপ্ত টেলিভিশনের সম্প্রচার কর্মকর্তা তানজিল জাহান তামিম হত্যা মামলায় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ ৯ আসামিকে নতুন করে সম্পৃক্ত করার রিভিশন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।...
মালয়েশিয়াতে লোক পাঠানোর নামে সিন্ডিকেট, হয়রানি ও চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিলের যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছিলো, তা-ই বহাল থাকছে। হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ...
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে আপস-মীমাংসা হয়েছে। মামলার আসামি সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম...
আদালতের বাজেয়াপ্ত করা মাদক ধ্বংস করার যার দায়িত্ব, তিনিই আবার সেই ইয়াবার চালান পকেটে নিয়ে ঘুরছিলেন বিক্রির উদ্দেশ্যে! ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের আলামত নিষ্পত্তি বা মাদক...
ক্ষমতায় আসার মাত্র আট মাসের মাথায় বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদল ও অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার কঠোর পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পরিচালিত সরকার। এই অল্প সময়ের মধ্যেই...
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার...
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক খাতের শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও)...
মাদকের বিষাক্ত ছোবলে বিপথে যাওয়া সন্তানের অত্যাচারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল পুরো পরিবারের। বুঝিয়ে, শাসন করে, কোনোভাবেই যখন ঘরোয়াভাবে শুধরানো যাচ্ছিল না, তখন আর কোনো উপায় না দেখে চরম এক কঠিন...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর