শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মামলা বিচার পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দলকে লিগ্যাল এক্সপার্টদের নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছেন কলকারখানা ও পরিদর্শন অধিদপ্তরের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। তিনি বলেন, এখানে নোবেলজয়ীর বিচার হচ্ছে না, এখানে মানি লন্ডারিংয়ের বিচার হচ্ছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় উদ্বেগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি পাঠিয়েছেন নোবেলজয়ীসহ বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্বস্থানীয় ২৪২ ব্যক্তি। চিঠিতে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুটি মামলা পর্যালোচনার জন্য বাংলাদেশে একটি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মামলার কলকারখানা ও পরিদর্শন অধিদপ্তরের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, যারা বিদেশ থেকে ড. ইউনূসের বিচার পর্যবেক্ষণে আসতে চান তাদের স্বাগত জানাই। তবে আমি বলবো, সঙ্গে লিগ্যাল এক্সপার্টদের নিয়ে আসুন। কারণ নোবেল বিজয়ীরা স্ব স্ব ক্ষেত্রে অনেক জ্ঞানী হলেও তারা বাংলাদেশের মানি লন্ডারিং আইন, শ্রম আইন সম্পর্কে জানেন না।
মঙ্গলবার সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, এখানে নোবেলজয়ীর বিচার হচ্ছে না, এখানে মানি লন্ডারিংয়ের বিচার হচ্ছে। চিঠিতে ড. ইউনূসের বিচার স্থগিতের আহবান বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্থায় অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলায় গত ১ জানুয়ারি ২০২৪ এ রায় দেন ঢাকার শ্রম আদালতের বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানা।
২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে ওই মামলা করেন। মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেওয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪-এর ৭, ৮, ১১৭ ও ২৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
ভারতে অনএরাইভাল ভিসা নিয়ে আলোচনা শিগগিরই