কাল বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের সেনা ও সীমান্তরক্ষী সদস্য বিজিপির ৩৩০ জন সদস্যকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। বিজিবির সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসছে জাহাজ, কক্সবাজারের ইনানীতে নৌবাহিনী জেটি থেকে তাদের ফেরত দেয়ার আনুষ্ঠানিকতা হবে। এদের কেউ গণহত্যায় যুক্ত ছিল কিনা সেটি খতিয়ে দেখার সময় এখন নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
মিয়ানমারের আরাকান আর্মিসহ বিদ্রোহী গোষ্ঠিগুলোর সাথে দেশটির সরকারি বাহিনীর ব্যাপক যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে গেলো ১৫ দিনে দেশটির সেনা ও সীমান্তরক্ষীদের ৩৩০ জন সদস্য বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। তাদের দ্রুত ফেরত পাঠানোটাই ছিলো বাংলাদেশের অন্যতম লক্ষ্য।
অবশেষে বৃহস্পতিবার তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। শেষ হয়েছে এই সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা। তবে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, মিয়ানমারের এই সদস্যরা রোহিঙ্গা হত্যায় জড়িত কিনা সেটি তদন্ত সাপেক্ষে তাদের হস্তান্তর করা। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানালেন কুটনৈতিক নীতি মেনে তাদের ফেরত পাঠানোটাই এই মুহুর্তে মূল লক্ষ্য।
এদিকে এবার মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীসহ চৌদ্দ দেশের রাষ্ট্র প্রধান। বৈঠকে যোগ দেবেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী, যুক্তরাজ্যের ডেভিট ক্যামেরুনসহ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিও।
মূলতঃ বৈশ্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা করতেই প্রধানমন্ত্রীর মিউনিখ সফর। তবে কেউ অস্ত্র বিক্রি করতে চাইবে কিনা সেটি জানা নেই বাংলাদেশের।
