জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকলে আন্দোলনের ইস্যু খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়, তা বিএনপি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আপনারা পরবর্তী আন্দোলন নয়, পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে যৌথসভা শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল জেল থেকে বেরিয়ে আবারও দিবাস্বপ্নে বিভোর হয়ে রয়েছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা কে, কী বলছেন সেটি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেনা আওয়ামী লীগ।
মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের বিষয়ে কাদের বলেন, মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো দেশের জন্য সম্মানের এবং গর্বের। অতীতে কখনও এটা হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ও বাধার মুখে নির্বাচন করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিনের প্রতি অনেকের নজর রয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে যারা মনোনয়ন পাননি তাদের ধৈর্য ধরতে হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
এ সময় দলের মেয়াদউত্তীর্ণ কমিটি নতুন করে দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ মেটাতে বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্তদের দলীয় সভাপতির নির্দেশনা জানান ওবায়দুল কাদের। বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ বিভিন্ন শাখার সম্মেলন, সহযোগী সংগঠনের প্রত্যেকের অসমাপ্ত সম্মেলন, কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় বিলম্বসহ সাংগঠনিক সমস্যার সমাধান করা জরুরি। বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্তরা সব শাখাগুলোকে ঢাকায় ডেকে বসতে পারেন। সমস্যা ও বিরোধ থাকলে তা সমাধানে অনতিবিলম্বে কাজ শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।
যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডাক্তার মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর দক্ষিণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।
ইউনূসের মামলায় সরকারের হাত নেই: আইনমন্ত্রী