ভয়াবহ আগুনের পর জৌলুস হারিয়েছে রাজধানীর বেইলি রোডের ইফতার বাজার। দোকানের সংখ্যা যেমন কমেছে তেমনি ক্রেতার সংখ্যাও হাতে গোনা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুধু আগুনের ঘটনাই নয়। এবার দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সাথেও লড়াই করছে মানুষ। তাই হোটেল রেস্টুরেন্টে কমে গেছে ইফতারের ক্রেতারা।
আগের বছরগুলোতে যে ফুটপাতজুড়ে ছিলো জমজমাট ইফতার বাজার সেখানে এখন কেবলই পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ। বাহারি ইফতার বিক্রির হাঁকডাকের বদলে বিষণ্ণ বেইলি রোড।
এখনো যারা সেখানে যারা যাচ্ছেন, ক্ষণিকের জন্য হলেও থমকে দাঁড়ান সেই পোড়া ভবনটির সামনে।
জীবন থেমে থাকে না। তাই ছোট পরিসরে হলে ব্যবসায়ীরা চেষ্টা করছেন ঘুরে দাঁড়ানোর। সময়ের সাথে সাথে হয়তো আরও কিছুটা জমে উঠবে বেইলি রোডের ইফতার বাজার, আশা ব্যবসায়ীদের।
কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, আগুনের ঘটনার পর বেইলি রোড ইফতার বাজার একদমই জমছে না। গতবছরের তুলনায় তাই বাধ্য হয়েই এবার অনেক আইটেম কমিয়ে দিয়েছেন তারা।

শুধু ২৯ ফেব্রুয়ারির আগুনের ঘটনাই নয়। এবার জিনিসপত্রের অতিরিক্ত দামের সাথেও পেরে উঠছেন না ক্রেতারা। ভোগ্য পণ্যের বাজারেই শেষ হয়ে যাচ্ছে মানুষের সীমিত আয়। রেস্টুরেন্টের ইফতার সেখানে অনেকের জন্যই বিলাসিতা।
ক্রেতারা বলছেন, বেইলি রোডে এখন দোকানের সংখ্যা যেমন কম তেমনি এবার সব রকম পণ্যের দামই বেশি। তাই ক্রেতার সংখ্যা কমেছে প্রায় তিনভাগ।
তারপরও ঘুরে দাঁড়াবার আশায় আছেন বেইলি রোডের ব্যবসায়ীরা।
বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় মৃত্যু হয় ৪৬ জনের। এ ঘটনায় রমনা থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে।

মামলাটি প্রথমে ডিবি তদন্ত করলেও পরে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়।
গ্রেপ্তার হোটেল কর্মীদের তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট