তিনটি প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ। এ কারণে নির্দিষ্ট সময়ে প্রকল্পটির শেষ করাটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। যদিও প্রকল্প পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন খান বলছেন, সব পক্ষের সাথে সমন্বয় করে প্রতিবন্ধকতা দূর করার চেষ্টা চলছে।
ঋণ সহায়তায় জটিলতার কারণে এমনিতেই ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শুরু করতে কয়েক বছর দেরি হয়। তবে ২০২২ সালের পর দ্রুতই এগোয় এই প্রকল্পের কাজ।
উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টর এলাকায় রেল লাইনের পাশে পিলার উঠে গেছে। আব্দুল্লাপুর এলাকায় পিলার ক্যাপও বসানো হয়েছে। আর আশুলিয়া বেড়িবাঁধ এলাকায় পিলার তৈরির কাজ প্রায় শেষ। এখন চলছে পিলার ক্যাপ বসানো কাজ। এর ওপরই মূলত সড়ক নির্মাণ করা হবে।
কাওলা এলাকার এই পয়েন্টেই ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে ও ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দুটি যুক্ত হবে। তৈরি হবে ৪৪ কিলোমিটারের একটি নিরবচ্ছিন্ন পথ। কিন্তু এখানে কাজ এখনও শুরু হয়নি। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই জায়গা থেকে মালামাল সরিয়ে না নেয়ায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।

আশুলিয়া-ধউর বেড়িবাঁধের ওপর প্রায় তিন কিলোমিটারের একটি সেতু হবে। বিদ্যুতের তার আর ব্রিজের পিলারের উচ্চতা প্রায় কাছাকাছি হওয়ায় সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যা সমাধানে এই পয়েন্টে নতুন করে ৪টি বিদ্যুতের পিলার তৈরি হচ্ছে।
এর বাইরেও প্রকল্প এলাকার ভেতরে থাকা বিভিন্ন সেবা সংস্থার লাইন এখনও সরানো হয়নি। ফলে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে।
প্রকল্প এলাকার বেশিরভাগ এলাকায় আছে উচ্চ ভোল্টের বৈদ্যুতিক লাইন। যা মূলত বড়বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের চাহিদা মেটায়। ফলে বিদ্যুৎ বন্ধ রেখে কাজ করারও উপায় নেই। আবার লাইনগুলো না সারলে কাজ এগুনো যাচ্ছে না।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন, এই সময় যদি বিদ্যুতের লাইনটা সরে যায় তাহলে আমরা কাজ শেষ করতে পারবো। যেহেতু তিন কিলোমিটার আর এখনও আমাদের সময় আছে আড়াই থেকে তিন বছর, সুতরাং এই সময়ে আমরা কাজ শেষ করতে পারবো বলে আশাবাদী।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল দৈর্ঘ্য ২৪ কিলোমিটার। এর সঙ্গে থাকবে ১৪টি রেম্প। যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১১ কিলোমিটার।
মেট্রোরেল চলাচলের সময় এক ঘণ্টা বাড়লো