ভোগান্তি কমেনি ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঈদে ঘরমুখো মানুষের। শেষ দিনের ঈদযাত্রায় যানজট আর যানবাহনের ধীরগতিতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যার সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থেকে মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্লা পর্যন্ত প্রায় ৩৫ কিলোমিটার সড়কে যানবাহনের ধীরগতি। কোথাও কোথাও যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে। এতে চরম সমস্যায় পড়েছেন নারী ও শিশুরা। তবে যানজট নিরসন আর চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তৎপর রয়েছে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
এদিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর দুই পাড়ে ভয়াবহ যানজট ও সেতুর ওপর পরিবহন বিকল হওয়ায় বিকেল পৌনে ৪টা থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ের টোলপ্লাজায় টানা এক ঘণ্টা টোল আদায় বন্ধ রাখে সেতু কর্তৃপক্ষ। এরপর পুনরায় টোল আদায় চালু করার ১৫ মিনিট পরেই আবারও বন্ধ রাখা টোল আদায়। এরপর সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আরও তিনবার টোল আদায় বন্ধ রাখা হয়।
আরও পড়ুন: অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল প্রকাশ রাত ৯টায়
মহাসড়কে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা ও এলেঙ্গা হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত জানান, মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহন আর ঘরমুখো মানুষের চাপ এখনো রয়েছে। মহাসড়কের এ অংশে ধীরগতিতে যান চলাচল করছে। পরিস্থিতি আর যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তৎপর রয়েছে পুলিশ। অতি দ্রুতই মহাসড়কের যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।
একাত্তর/এসি
