ঝালকাঠিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের মধ্যে ১০জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে আলাদাভাবে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
দুর্ঘটনার পর থেকে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজাপুরের উত্তর সাউথপুর এলাকায়। নিহত ১৪ জনের মধ্যে ছয় জনের বাড়িই এখানে। তারা একই পরিবারের সদস্য।
বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের মাদ্রাসা মাঠে ছয়জনের জানাজা হলেও একজনের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন হয়। বাকি একজনকে হেলিকপ্টার যোগে নেয়া হয় রাঙ্গামাটি জেলায়। বাকি চারজনের দাফন হবে অন্য স্বজনরা বাড়ি আসার পর।
এ ঘটনায় নিহত আরও আটজনকে যার যার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে পৃথক জানাজার পর দাফন করা হয়েছে।
বুধবার ঝালকাঠিতে সিন্টেবাহী একটি ট্রাক প্রাইভেটকার ও ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে নিহত হন ১৪ জন।
বুধবার দুপুর ২টার দিকে বরিশাল-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির গাবখান সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান গ্রামের সেলিম হাওলাদারের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (৩৫), ওস্তাখান গ্রামের আব্দুল মান্নান মাঝির ছেলে শফিকুল মাঝি (৫০), নওপাড়া গ্রামের আব্দুল হাকিম মাঝির ছেলে অতিকুর রহমান সাদি (১১), নূরুল ইসলামের ছেলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্য ইমরান হোসেন (৪০), কাঠালিয়া উপজেলার তালগাছিয়া গ্রামের মো. ইব্রাহীমের মেয়ে নূর জাহান (৭) ও তাহমিনা, প্রাইভেট কার চালক রাজাপুর উপজেলার এলাকার মো. ইব্রাহিম, রাজাপুর উপজেলার সাংগর গ্রামের বারেক মৃধার মেয়ে নিপা আক্তার, উত্তর সাউদপুর গ্রামের সনিয়া বেগম, তানিয়া আক্তার, তাহমিদ রহমান, হাসিবুর রহমান।
এছাড়া বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি গ্রামের মো.রুহুল আমিন এবং দুর্ঘটনাস্থলে থাকা ভিক্ষুক মো. শহিদুল ইসলাম।
সজোরে তিন ইজিবাইক ও গাড়ির ওপর হামলে পড়ে ট্রাকটি