করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবং উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের ১১ জেলায় ১২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১৪, খুলনায় ৫, ময়মনসিংহে ১৪, নড়াইলে ১, বগুড়ায় ২৪, যশোরে ৬, ফরিদপুরে ৮, রাজশাহীতে ১১, বগুড়ায় ২৬, যশোরে ৬ ও চট্টগ্রামে ৬ জন।
শনিবার (২৪ জুলাই) একাত্তর সংবাদদাতাদের পাঠানো খবরে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কুষ্টিয়া প্রতিবেদক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৪৭৮ জনের। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার কারণে মানুষ আগের চেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় বিভিন্ন সময়ে মোট সংক্রমিত হয়েছেন ১২ হাজার ৯৩৯ জন।
খুলনায় পাঁচ হাসপাতালে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। মৃতদের মধ্যে তিনজন খুলনার তিনজন বাগেরহাটের এবং অপর দুইজন যশোর ও পিরোজপুরের বাসিন্দা। গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনার পাঁচ করোনা হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ২৬ জন, নতুন ভর্তি হয়েছেন ৪২ জন। মোট ভর্তি রয়েছেন ৩৩৫জন।
ময়মনসিংহ মেডিকেলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দুইজন ও উপসর্গে ১২ জনসহ মোট মারা গেছেন ১৪ জন। ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ মেডিকেলে নতুন করে ৬৬ জন ভর্তিসহ চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪২৬ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে আছেন ২২ জন।
নড়াইলে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৪ জনের। শনিবার ২৪ জুলাই নড়াইলে ৫৭টি নমুনার মধ্যে নতুন করোনা শনাক্ত ২৪ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪৬ জন। শনাক্তের হার ৪২.১০%।
বগুড়ায় ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমিত ও উপসর্গ নিয়ে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় মোট মৃত্যু হয়েছে ৫২১ জনের। গত দিনে ৩৪৫ নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছেন ১৪৪ জন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনায় নতুন করে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১২.৬১ শতাংশ।
চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে ছয়জন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে ৩০১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৩ শতাংশ। সরকারি হিসাব অনুসারে, চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ৭৪ হাজার ৫৬২ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনায় চট্টগ্রামে মারা গেছেন মোট ৮৭৪ জন।
আরও পড়ুন: কমছে ফাইজার টিকার কার্যকারিতা: ইসরাইল
গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩০৪ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নগরের ২৫৮ জন। নগরের বাইরের বিভিন্ন উপজেলার ৪৩ জন। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তিনজন শহরের ও অপর তিনজন উপজেলার বাসিন্দা।
একাত্তর/আরএ
