ঢাকা-কক্সবাজার রেল পথে টিকেট কালোবাজারি অভিযোগ বাড়ছে। এবার সেটাই একাত্তরের ক্যামেরায় ধরা পড়লো। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাই টিকিট ছাড়া যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যদিও এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি স্টেশন মাস্টার।
পহেলা মে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় একাত্তর টিভির ক্যামেরায় ধরা পড়ে টিকেটের কালোবাজারি। এদিন রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য পলাশের প্রতারণার ফাঁদে পা দেন আটজনের এক পরিবার।
তাদের বিনা টিকেটে কক্সবাজার থেকে লোহাগাড়া পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মী পলাশ। এই জন্য তারা ৮০০ টাকা দিয়ে ট্রেনে উঠে দেখেন, টিকেটধারী যাত্রী সিটে বসা।
পলাশকে বিষয়টি জানালে পাল্টা উত্তর দেয়। এসময় তার সাথে যোগ দেন প্রতারক চক্রের আরও কয়েকজন, যারা সবাই রেলের নিরাপত্তা কর্মী।
প্রতারণার শিকার পর্যটক জানান, তিনি আটজনের জন্য রেলওয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের ৮০০ টাকা দেন।
অভিযোগ পেয়ে একাত্তর পলাশের খোঁজে নামে। ক্যামেরা দেখে গায়েব হয়ে যান রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর এই সদস্য।
একইভাবে রেল স্টেশনে আরও একজন যাত্রী অভিযোগ করেন, টিকিট ছাড়া ট্রেনের সিট করে দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন পলাশসহ কয়েকজন রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মী।
কক্সবাজারে ট্রেনের টিকেট নিয়ে কালোবাজারির অভিযোগটি শুরু থেকেই। তবে এ বিষয়ে স্টেশন মাস্টার কোনো কথা বলেন না। এদিকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কক্সবাজার রেল স্টেশন রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। যদি অভিযুক্ত জড়িত থাকেন অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হবে।
এর আগে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে কক্সবাজারে ট্রেনের টিকিটে কালোবাজারি তদন্তের দায়িত্ব দেয় র্যাবকে।
ভাঙ্গা-রুপদিয়া রুটে ১২০ কিলোমিটার গতিতে ছুটলো ট্রেন