গান্ধী পরিবারের আসনে কে এই কিশোরীলাল শর্মা?

আপডেট : ১০ মে ২০২৪, ০৯:৫১ পিএম

ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের রায়বরেলি ও আমেথি আসন সব সময়ই কংগ্রেসের ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত। এই দুই আসনে গান্ধী পরিবারের রয়েছে বিশাল জনপ্রিয়তা এবং ঐতিহ্য। অথচ গত ২৫ বছরের মধ্যে এবার প্রথম আমেথিতে নেই গান্ধী পরিবারের কোনো প্রার্থী। এই নির্বাচনে রায়বরেলি থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল গান্ধী।

আর আমেথি থেকে দাঁড়াচ্ছেন গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ কিশোরী লাল শর্মা। চার দশকের বেশি সময় ধরে গান্ধী পরিবারের বিশ্বস্ত অনুগামী তিনি। রাজনীতি মহলে কিশোরীলাল বেশ পরিচিত হলেও, ভারতের জনসাধারণ খুবই কম জানতে এই নাম। ফলে তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ জন্মেছে সবার মধ্যে।

আমেথি থেকে বিজেপির হয়ে লড়ছেন শক্তিশালী নেতা স্মৃতি ইরানি। একদা টেলিভিশন সিরিয়ালের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে হারাতে কিশোরী লাল শর্মার উপর ভরসা রেখেছে কংগ্রেস। কিশোরী লাল অবশ্য জন্মসূত্রে উত্তরপ্রদেশের নন। তাঁর জন্ম লুধিয়ানায়। ছাত্রজীবন থেকে কংগ্রেসের রাজনীতি করছেন।

রাজীব গান্ধীর সময় থেকেই গান্ধী পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ। রাজীবের মৃত্যুর পর গান্ধী পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়ে। রাহুল সংসদ সদস্য থাকার সময় তার প্রতিনিধি হিসাবে কিশোরী লালই আমেথির কাজকর্ম দেখতেন। রায়বরেলিতেও সোনিয়া গান্ধীর প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করেছেন তিনি।

রাজনীতি আর গান্ধী পরিবার সূত্রেই আমেথি ও রায়বরেলিতে পরিচিত মুখ কিশোরী লাল শর্মা। পাঞ্জাব থেকে কিশোরীলালকে আমেথিতে নিয়ে আসেন প্রয়াত রাজীবই। তখন তিনি এই কেন্দ্রের সংসদ সদস্য। সেই থেকে আমেথিতে গান্ধী পরিবারের সব ধরনের কাজকর্ম দেখভাল করতে শুরু করেন কিশোরীলাল শর্মা।

১৯৮১ সালে রাজীব গান্ধী পূর্ব উত্তরপ্রদেশের এই আসনে নাম লেখালেও, ১৯৭৭ সালে এই আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন রাজীবের ভাই সঞ্জয় গান্ধী, তবে জিততে পারেননি। তিন বছরের মধ্যেই ১৯৮০-র লোকসভা ভোটে আমেথিতে জয়ী হন সঞ্জয়। বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুর পরে উপনির্বাচনে জেতেন রাজীব।

আবার প্রথমবার লোকসভার লড়াইয়ে দাঁড়ানোর পর সোনিয়া গান্ধীকে আমেথি চিনতে সাহায্য করেছিলেন এই কিশোরী লাল শর্মাই। আসনটি রাহুল গান্ধীর জন্য ছেড়ে যখন সোনিয়া গান্ধী রায়বরেলিতে যান, তখনও আমেথির দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন কেএল শর্মাই। তাকেই এবার গুরুদায়িত্ব দিলো কংগ্রেস।

২০ মে লোকসভার পঞ্চম দফায় ভোট রয়েছে আমেথি এবং রায়বরেলিতে। ২০১৯ সালে আমেথিতে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানি। তার সঙ্গে পরাজিত রাহুল গান্ধীর ব্যবধান ছিল ৫৫ হাজারেরও বেশি। প্রায় এক মাস আগে আবারও আমেথির প্রার্থী হিসাবে স্মৃতির নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি।

জল্পনা ছিল এবার লোকসভা নির্বাচনেও রাহুল ফিরতে পারেন আমেথিতে। কিন্তু কংগ্রেসের কাছে মনে করে, এই আসনে কঠিন লড়াই হবে। স্মৃতি ইরানি সেখানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন। সেখানে জিততে হলে প্রচারে ঝড় তুলতে হবে। কিন্তু সেটি গান্ধী পরিবারের সদস্যদের পক্ষে সম্ভব নয়।

গান্ধী পরিবারের সদস্যরা এ কেন্দ্রে প্রার্থী হলে দেশজুড়ে প্রচার করার সুযোগ থাকবে না। এ কারণেই আমেথি এলাকায় থাকা কিশোরীকে প্রার্থী করা হয়েছে। তার হয়ে প্রচারে ঝাঁপাবে গান্ধী পরিবার। তার মনোনয়নেও থেকেছেন তারা। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেছেন, কেএল শর্মাকে ৪০ বছরের জনসেবার পুরস্কার দেবে মানুষ।

এআরএস
বিয়ের সানাই বাজছিল ঠিকঠাক, কাজিও কবুল পড়িয়ে দিয়েছিলেন অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। কিন্তু আসল টুইস্টটা জমা ছিল দুপুরের খাবারের টেবিলের জন্য! পাতে খাসির মাংসের বদলে কেন মুরগির মাংস পরিবেশন করা...
ভারতের ছাত্র-যুবদের কর্মসংস্থান এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবি এবার এক অদ্ভুত ও নজিরবিহীন রূপ নিল দিল্লির বুকে। সপ্তাহজুড়ে খবরের শিরোনামে থাকার পর, আজ শনিবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির রাজপথে...
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখলেও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের আসল নজর এখন তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০ সদস্যের বিধায়ক দলের অন্দরে তৈরি হওয়া তীব্র ফাটলের...
‘সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত! চারদিকে শুধু ঘুষ আর অনিয়ম, আর সেই কারণেই আমি আজ আমার পরিবারের প্রায় সবাইকে হারালাম’; কান্না চেপে, তীব্র ক্ষোভে কাঁপতে কাঁপতে কথাগুলো বলছিলেন বিষ্ণু কান্ত গর্গ। গত বুধবার...
নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরার ২৪ ঘণ্টাও পার হয়নি, এর মধ্যেই বিজয়ী বীরের বেশে স্পেনের মাটিতে পা রেখেছে লাল-হলুদ ব্রিগেড! পরিষ্কার নীল আকাশের নিচে...
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. রাশেদ খাঁন। 
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের সেই মহাকাব্যিক লড়াইয়ে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় অর্ধে ১০ জনের দল নিয়ে শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল আর্জেন্টিনার প্রতিরোধ। ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের এক নিখুঁত লক্ষ্যভেদে ২০২৬...
গণতন্ত্র রক্ষায় এবং জুলাই সনদকে বাস্তবরূপ দিতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ন্যূনতম ঐক্য থাকা জরুরি বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর