অবৈধভাবে টাকার বিনিময়ে যারা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সনদপত্র সংগ্রহ করেছে তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ডিবি পুলিশ প্রধান।
রাজধানীর মিন্টু রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ডিবি প্রধান জানান, টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট সংগ্রহকারীদের শনাক্তে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সিস্টেম এনালিস্ট একেএম শামছুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারো হেফাজতে আনা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে সার্টিফিকেট গ্রহীতাদের শনাক্তে বুয়েটের একটি দলও কাজ করবে বলে জানান ডিবি প্রধান।
ভুয়া লোকদের কাছে হস্তান্তর হওয়া হওয়া মূল সনদ ও নম্বরপত্র জব্দ করার প্রক্রিয়া কী হবে তা গোয়েন্দা পুলিশকে জানিয়েছেন, সনদ ও নম্বরপত্র জালিয়াতির দায়ে গ্রেফতার হওয়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সিস্টেম এনালিস্ট এ কে এম শামসুজ্জামান।

দ্বিতীয় দফায় ডিবি পুলিশ হেফাজতে চার দিনের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ প্রক্রিয়া কথা বলেন। ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় শামসুজ্জামানের জবানবন্দি দেয়ার কথাও জানান ডিবি প্রধান।
ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, বছরের পর বছর যেসব মার্কশিট ও সার্টিফিকেট বিক্রি করেছে, সেগুলো কীভাবে শনাক্ত করে বাতিল করা যায় সে সম্পর্কে শামসুজ্জামান গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমাদের দিয়েছেন। যা আমরা কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের সচিবের কাছে এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে আমরা তথ্য ও পরামর্শ দেবো।
সার্টিফিকেট জালিয়াতির ঘটনায় সাংবাদিক ও দুদকের কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের টাকা দেয়ার দাবি করেছেন শামসুজ্জামান। দাবির সত্যতা যাচাইয়ে যাদের নাম এসেছে তাদের শাসুজ্জামানের মুখোমুখি করা হতে পারে বলে জানান এই
ডিবি প্রধান আরও বলেন, দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আমার কথা হয়েছে। তাদেরও তিন সদস্যের কমিটি আছে তাদেরও আমরা বলেছি, প্রয়োজনে আপনারাও শামসুজ্জামানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। উনারা যদি আসেন কথা বলবেন। আমি মনে করি, যাদের নাম বলেছেন প্রয়োজন হলে আমরাও কথা বলবো।
সনদ তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে ৩১ মার্চ এ কে এম শামসুজ্জামানকে আটক করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আটক হন কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের স্ত্রীসহ কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক।
ঘুষ নেয়ার ভিডিও ভাইরাল, দুই পুলিশ বরখাস্ত