খরচ ও রোগ বালাই কম এবং তেমন পরিচর্যার প্রয়োজন না থাকায় ঝালকাঠিতে বাড়ছে তিল চাষ। স্থানীয় বাজারসহ সারাদেশে তিলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় ভালো দাম পাওয়া যায়। এছাড়া অন্যান্য ফসল চাষের তুলনায় তিন গুন লাভজনক হওয়ার দিন দিন তিল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা।
ঝালকাঠি জেলায় দিন দিন বাড়ছে তিল চাষ। স্থানীয় জাত ছাড়াও বারি তিল-২, বারি তিল-৪ এবং বিনা তিল-৩ চাষ করে সফল হচ্ছেন চাষিরা। বীজ বপনের পরে মাত্র তিন মাসের মধ্যেই ফসল তুলতে পারেন তারা।
তিল চাষে অন্যান্য ফসলের মতো তেমন ঝামেলা নেই। রোগ বালাই কম হয়, তাই খুব একটা কীটনাশক ছিটাতে হয় না, দিতে হয় না কোন রাসায়নিক সার।
স্থানীয় বাজারসহ সারাদেশে রয়েছে তিলের ব্যাপক চাহিদা। তাই এর আবাদ বাড়িয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেছেন চাষিরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, তিল চাষে ভাল ফলনের লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ থেকে প্রদর্শনী জমির পাশাপাশি চাষিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেয়া হয়। আগামীতে তিল চাষ আরো বাড়বে বলে আশাবাদী কৃষি বিভাগ।
ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ফলন যেন বৃদ্ধি পায়, এ লক্ষ্যে আধুনিক উচ্চ ফলনশীল তিলের জাত সম্প্রসারণে এ বছর আমরা প্রদর্শনী কার্যক্রম গ্রহণ করেছি। এবং কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। কীভাবে তিল চাষ করে ভালো ফলন পাওয়া যায় সে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
চলতি মৌসুমে ঝালকাঠি জেলায় ৩৯২ হেক্টর জমিতে তিলের আবাদ হয়েছে। সারাদেশে এর চাষ সম্প্রসারিত হলে ভোজ্য তেলের ঘাটতি ও চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষি সংশ্লিষ্টরা।
ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষে চমক