রাজধানীর বারিধারার কূটনৈতিক এলাকায় পুলিশের গুলিতে আরেক পুলিশ সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় কারণ খুঁজতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশের এই কমিটিকে ঘটনার আসল কারণ বের করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
শনিবার গভীর রাতে ফিলিস্তিন দূতাবাসের নিরাপত্তায় নিয়োজিত এক পুলিশ সদস্যের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন আরেক পুলিশ সদস্য।
নিহত কনস্টেবল মনিরুল ইসলামের ভাই বাদি হয়ে রোববার গুলশান থানায় মামলাটি করছেন। অভিযুক্ত কনস্টেবল কাউসার আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের হেফাজতে পেয়েছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ব্রাজিল থেকে আমদানি করা এক এসএমজি হাতে দায়িত্বে ছিলে কাউসার আলী। ওই অস্ত্র দিয়েই সহকর্মী মনিরুলকে একের পর এক গুলি করেন কাউসার।
এ সময় এলোপাতাড়ি গুলিও চালান তিনি। এতে জাপান দূতাবাসের গাড়িচালক সাজ্জাদ হোসেনের শরীরে তিন রাউন্ড গুলি লেগেছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এরপর কাউসারকে নিরস্ত্র করে গ্রেপ্তারের পর হেফাজতে নেয়া হয়েছে। ঘটনার পর রাতেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশ সদর দফতর ও ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নিহত কনস্টেবল মনিরুল ইসলামের বাড়ি নেত্রকোণা। তিনি ২০১৮ সালে পুলিশে যোগ দেন।
দূতাবাস পাড়ায় পুলিশের গুলিতে পুলিশের মৃত্যু