তিস্তার পানি ব্যবস্থাপনায় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছে কূটনীতিকরা। তারা মনে করেন, দুই দেশের যেমন তিস্তার পানির প্রয়োজন, তেমনি দুই দেশই একে অপরের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে জানে।
তারা আশা করেন, তিস্তা প্রকল্পে শুধু মুখের কথায় নয়, কারিগরি এবং বিনিয়োগে ভারত এগিয়ে আসবে।
ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের সর্বোচ্চ নেতার বৈঠক মানেই কোন না কোন সিদ্ধান্ত। যার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বৈঠককালীন হলেও, কারিগরি বা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন হতে পার হতে হয় বহু ধাপ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে তিস্তার পানি ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে ছিল। কারণ নদীর পানি যেমন দুই দেশের দরকার আবার পানি প্রবাহও কমছে দ্রুত। ভাটির দেশ হিসাবে বাংলাদেশ তাই বঞ্চিত এর ন্যায্য হিস্যা থেকে। তাইতো নতুন সমীক্ষা আর কারিগরি জ্ঞানকে কাজে লাগাতে চায় দুই দেশ
বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাই-কমিশনার পঙ্কজ শরণ বলেন, নেতারা ওপর থেকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দেন। তারা যা বলেন, তা বাস্তবায়ন হয় ধাপে ধাপে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আস্থা ও সমঝোতা। আমাদের নিকট ভবিষ্যৎ নয়, দূরের দিকে তাকাতে হবে। সামনের দিনগুলোতে কি কি সমস্যা আসতে যাচ্ছে, তা নিয়ে কাজ করতে হবে।
তবে, বিষয়টিকে দীর্ঘায়িত না করে দ্রুততম সময়ে বিনিয়োগ নিশ্চিত করার পরামর্শ কূটনীতিকদের।
বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার বীনা সিক্রি বলেন, তিস্তার পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে, তা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও ভারত একসাথে তিস্তার পানি ব্যবস্থাপনা করবে, একই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করবে, যা আশাব্যঞ্জক। সাত মাস ধরে তিস্তায় পানি থাকে না। ভারত পুনর্বিনিয়োগ নিয়ে এই প্রকল্পে বাংলাদেশের সাথে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এছাড়া, অভিন্ন ৫৪টি নদী যা দুই দেশের সীমান্ত দিয়ে গেছে, সেগুলোর ব্যবস্থাপনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের ওপরও জোর দেন এই দুই কূটনীতিক।
সহযোগিতা জোরদারে ১০ সমঝোতা স্মারক সই বাংলাদেশ-ভারতের