তিস্তার পানির জট ছাড়ছে?

আপডেট : ২৩ জুন ২০২৪, ০৬:৩২ পিএম

তিস্তার পানি ব্যবস্থাপনায় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছে কূটনীতিকরা। তারা মনে করেন, দুই দেশের যেমন তিস্তার পানির প্রয়োজন, তেমনি দুই দেশই একে অপরের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে জানে।

তারা আশা করেন, তিস্তা প্রকল্পে শুধু মুখের কথায় নয়, কারিগরি এবং বিনিয়োগে ভারত এগিয়ে আসবে। 

ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের সর্বোচ্চ নেতার বৈঠক মানেই কোন না কোন সিদ্ধান্ত। যার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বৈঠককালীন হলেও, কারিগরি বা মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন হতে পার হতে হয় বহু ধাপ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে তিস্তার পানি ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে ছিল। কারণ নদীর পানি যেমন দুই দেশের দরকার আবার পানি প্রবাহও কমছে দ্রুত। ভাটির দেশ হিসাবে বাংলাদেশ তাই বঞ্চিত এর ন্যায্য হিস্যা থেকে। তাইতো নতুন সমীক্ষা আর কারিগরি জ্ঞানকে কাজে লাগাতে চায় দুই দেশ

বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাই-কমিশনার পঙ্কজ শরণ বলেন, নেতারা ওপর থেকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দেন। তারা যা বলেন, তা বাস্তবায়ন হয় ধাপে ধাপে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আস্থা ও সমঝোতা। আমাদের নিকট ভবিষ্যৎ নয়, দূরের দিকে তাকাতে হবে। সামনের দিনগুলোতে কি কি সমস্যা আসতে যাচ্ছে, তা নিয়ে কাজ করতে হবে।

তবে, বিষয়টিকে দীর্ঘায়িত না করে দ্রুততম সময়ে বিনিয়োগ নিশ্চিত করার পরামর্শ কূটনীতিকদের।

বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার বীনা সিক্রি বলেন, তিস্তার পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে, তা গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও ভারত একসাথে তিস্তার পানি ব্যবস্থাপনা করবে, একই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করবে, যা আশাব্যঞ্জক। সাত মাস ধরে তিস্তায় পানি থাকে না। ভারত পুনর্বিনিয়োগ নিয়ে এই প্রকল্পে বাংলাদেশের সাথে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়া, অভিন্ন ৫৪টি নদী যা দুই দেশের সীমান্ত দিয়ে গেছে, সেগুলোর ব্যবস্থাপনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের ওপরও জোর দেন এই দুই কূটনীতিক।

 

একাত্তর/জো
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। আসামি হিসেবে হাসিনার দেয়া বক্তব্য বিবেচ্য...
আওয়ামী লীগের কর্মসূচি যতদিন নিষিদ্ধ আছে; ততদিন রিফাইন্ড বা তৃণমূল কোনো নামেই দলটি কার্যক্রম চালাতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। 
সীমান্তে আমরা একজনকেও পুশইন হতে দেইনি উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। 
সমঝোতা স্মারকে সই করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর