কুমিল্লায় উজান থেকে আসা ঢলের পানি কমেছে। কিন্তু জলাঞ্চল নামে খ্যাত মনোহরগঞ্জ উপজেলায় বানে পানি বাড়ছে হু হু করে। ইতিমধ্যে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ২৩৬টি গ্রাম তলিয়ে গেছে। উজানের পানি, কাড়কিনদী আর ফেনীর মুহুরি নদীর পানি নামলেও বেড়েছে ডাকাতিয়ার। নদীটি এখন এমন রূপ ধরেছে যে, মনোহরগঞ্জ উপজেলায় লাশ দাফনের শুকনো মাটিটুকুও কোথাও নেই।
উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন বন্যা কবলিত মানুষ। আবার সহায়, সম্পদ রক্ষায় হাজারও পরিবার থেকে গেছেন নিজেদের বাড়িতেই। কেউ উঁচু মাচা করে, কেউ আবার চকি বা খাটের ওপর দিন পার করছেন। ডুবে থাকা গ্রামগুলোয় একমাত্র নৌকাই বেঁচে থাকার বাহন।

সরকারি হিসাবে জেলার ১৪ উপজেলার ১০ লাখ ৬১ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি। তবে বেসরকারিভাবে এই সংখ্যা আরও বেশি।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আবেদ আলী বলেন, কুমিল্লার ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১৪টি উপজেলা বন্যা কবলিত। এসব উপজেলার ১২৫টি ইউনিয়নের ১০ লাখ ৬১ হাজার মানুষ বন্যায় আক্রান্ত। তাদের আশ্রয় দিতে মোট ৭২৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। অব্যাহত রয়েছে ত্রাণ কার্যক্রম।
