সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যম খবর দেয় যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় নেতার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারত। এরপরই তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
ব্যাপক আলোটনার বিষয়ে পরিণত হয়। এ নিয়ে কথা বলেছে ভারত সরকার। তারা বলছেন, ছাত্রনেতার ওপর কোনো ধরনের ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। এটা পুরোপুরি গুজব।
ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ভারতীয় এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে লিখেছে, এটি একটি ভুয়া খবর। এ ধরনের কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি ভারত।’
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ছয় ছাত্রনেতার ওপর ভারতীয় ভিসা নিষেধাজ্ঞা- এমন শিরোনামে একটি সংবাদ বাংলাদেশের কিছু গণমাধ্যমে রোববার প্রকাশিত হয়েছে। এতে ৬ ছাত্র নেতার নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
'সেই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে ‘ভারতবিরোধী’ অনুভূতি জাগিয়ে তোলার জন্য ওই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারত। তবে এটি একটি ‘ভুয়া খবর’ বলে নিশ্চিত করেছে ভারতের সরকারি সূত্র,' লেখা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
প্রথমে মিরর এশিয়া নামে একটি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, ভারত ৬ বাংলাদেশি ছাত্রনেতার পর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এরপর ওই গুঞ্জন দ্রুত ছড়াতে থাকে সামাজিক মাধ্যমে।
মিরর এশিয়ার প্রতিবেদনের বরাতে দাবি করা হয়, ভারতবিরোধী জনতাকে উসকানি দেওয়া এবং ভারতের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, এ বিষয়ে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি নুরুল হক নুর, গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আখতার হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার নবনিযুক্ত বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও নুসরাত তাবাসসুম।
আরবি
গাজী টায়ারসের পোড়া কারখানায় মিললো মাথার খুলি, হাড়গোড়