বৈরী আবহাওয়া, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত এবং নদীতে প্রচণ্ড রোলিং থাকার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে তিনটি রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এই নির্দেশ দিয়েছে। নৌরুটগুলো হলো—ঢাকা-হাতিয়া, বেতুয়া-হাতিয়া এবং ঢাকা-খেপুপাড়া।
বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপকূলীয় অঞ্চলে বৈরি আবহাওয়া এবং সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত এবং নদীতে প্রচণ্ড রোলিং থাকার কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা থেকে হাতিয়া এবং বেতুয়াগামী এবং বেতুয়া এবং হাতিয়া থেকে ঢাকাগামী এবং ঢাকা থেকে খেপুপাড়াগামী ও খেপুপাড়া থেকে ঢাকাগামী- এই তিনটি উপকূলীয় অঞ্চলের নৌ পথের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া এক ইঞ্জিন বিশিষ্ট নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর থেকে মুন্সিগঞ্জ ও মতলব, বরিশাল নদী বন্দর থেকে বরিশাল উলানিয়া, বরিশাল কালিগঞ্জ, বরিশাল কাচারীখাল, ভোলা নদীবন্দর থেকে ইলিশা-মজুচৌধুীরহাট, আলেকজান্ডার-হাকিম উদ্দিন নৌপথ, মনপুরা-তজুমদ্দিন নৌপথে লঞ্চ ও সিট্রাক চলাচল বন্ধ রয়েছে।
পটুয়াখালী নদী বন্দর থেকে গলাচিপা-চরমোন্তাজ, গলাচিপা-চরবেস্টিন, গলাচিপা-লক্ষ্মীরচর, উলানিয়া-চরমোন্তাজ, চিকনীকান্দি-চরমোন্তাজ নৌপথের নৌযান ও বোয়ালিয়া-কোড়ালিয়া নৌপথের স্পিডবোট বন্ধ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম দপ্তরের নদী বন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন কুমিরা-গুপ্তছড়া, বাঁশখালী-কুতুবদিয়া, পেকুয়া-কুতুবদিয়া, কক্সবাজার-মহেশখালী, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন, নোয়াখালী-হাতিয়া. চট্টগ্রাম-হাতিয়াসহ সংশ্লিষ্ট সব নৌপথের নৌ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
অপরদিকে আরিচা-আরিচা-পাটুরিয়া-কাজিরহাট নৌপথের সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।
আশুগঞ্জ ভৈরব বাজারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে বৈরী আবহাওয়ায় চলাচলের অন উপযোগী নৌযানসমূহকে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার হয়েছে।
মাজারে হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা