নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। এই অবস্থায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সঙ্কেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সমুদ্রবন্দরগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা।
রোববার আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অবস্থায় ওই চারটি সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
নিম্নচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীর উপকূলীয় রাঙ্গাবালী ও পায়রা সমুদ্র বন্দর এলাকায় ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে না। বরং সকাল থেকে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া বিরাজ করছে। পড়ছে ভ্যাপসা গরমও। নদ-নদী স্বাভাবিক থাকলেও সাগর উত্তাল রয়েছে। তাই সাগরে অবস্থান করা মাছ ধরা ট্রলারগুলো গতকাল থেকে তীরে ফিরে আসতে শুরু করেছে।
আবহাওয়া অফিস বলছে, নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এদিকে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, সাগরের নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপ হয়ে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর রাতে ভারতের উড়িশা ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করতে পারে। পরিবেশ কিছুটা অনুকূল থাকায় এটির সাধারণ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ারও কিছুটা আশঙ্কা রয়েছে। তবে এর থেকে বাংলাদেশ নিরাপদ।
