আদানির বিদ্যুৎ নিতে অন্যায্য আর অদ্ভূত সব শর্ত

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২৪, ০৩:৪৬ পিএম

ভারতে উদ্ভূত কোন রাজনৈতিক কারণে আদানি গ্রুপ যদি বিদ্যুৎ দিতে না পারে, তাহলেও ক্যাপাসিটি চার্জ গুণতে হবে বাংলাদেশকে। এমন বেশ কিছু অন্যায্য শর্ত যুক্ত করে, কোনো দরপত্র ছাড়াই আদানির কাছ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি করেছিলো ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার।

চুক্তির শর্ত ঠিক করতে নেওয়া হয়নি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর অনুমোদন। অসময় এই চুক্তি থেকে বাংলাদেশের বের হয়ে আসার কোন সুযোগও রাখা হয়নি। ফলে চড়া মূল্যে বিদ্যুৎ কেনার খেসারত দিচ্ছে বাংলাদেশ। তবে এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালতে যাবার সুযোগ আছে বাংলাদেশের।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে ভারতের ঝাড়খন্ডের গোড্ডায় এক হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করে ভারতের বিতর্কিত শিল্প গ্রুপ- আদানি। ২০১৭ সালের নভেম্বরে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী সেখান থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ আমদানি করছে বাংলাদেশ। কিন্তু কি ছিলো সেই চুক্তিতে?

রাজস্ব বোর্ড বলছে, তাদের কোন অনুমোদন ছাড়াই বিদ্যুৎ বিক্রিতে আদানিকে কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। চুক্তির পর আদানির জন্য কর ছাড়ের আবেদন করে পিডিবি। কিন্তু চুক্তির কপিটি গোপন রাখায় সেই আবেদন আমলে নেয়নি এনবিআর। বিদ্যুৎ আমদানিতে নিয়মিত এলসি করা হলেও বিল অব এন্ট্রি জমা দেয় না পিডিবি।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর মহাপরিচালক সৈয়দ মুসফিকুর রহমান জানিয়েছেন, এই বিল অব অন্ট্রি জমা না দিলে তা চোরাচালান হিসেবে গন্য হয়। তারপরও বিগত সরকার এক তরফাভাবে অন্যায় কাজটি করে গেছে।

আদানির সাথে করা চুক্তিতে বলা হয়েছে, বিনিয়োগের টাকা না ওঠা পর্যন্ত বাংলাদেশকে তার কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতেই হবে। নয় তো দিতে হবে ক্যাপাসিটি চার্জ। কর্মসংস্থান, আমদানি রপ্তানি সব সুবিধাও পাবে ভারত। যদিও ভারতের অন্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে এমন শর্ত নেই।

একই ভাবে আদানির বিদ্যুতের দামও প্রায় দ্বিগুন। যা বাংলাদেশে উৎপাদিত বিদ্যুতের দামের চেয়েও বেশি।  চুক্তির আরেকটি অদ্ভুত শর্ত হলো, ভারতের কোন রাজনৈতিক সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলে বাংলাদেশকে গুণতে হবে ক্যাপাসিটি চার্জ। সেটি আবার এতোটাই বেশি যে, তা নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমেই সমালোচনা হয়।

এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত কয়লা আনা হয় অস্ট্রেলিয়ায় আদানির নিজস্ব উৎস থেকে। সেই কয়লার দামও ধরা হয়েছে বেশি। রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক কমিটির মাধ্যমে চুক্তিটি পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত। রিটকারীর আইনজীবী এম আবদুল কাইয়ুম বলছেন, দুর্নীতির প্রমাণ মিললে দেশের আদালতেই চুক্তিটি বাতিল হতে পারে। নাইকোর ঘটনাই তার উদাহরণ।  

 

এআর
বাংলাদেশে বাণিজ্যিক যৌন শোষণের শিকার হচ্ছে প্রায় ৩০ হাজার কন্যা শিশু, যার বড় একটি অংশই জীবনের প্রারম্ভে বা অপ্রাপ্তবয়সে এই অন্ধকার জগতে পা রাখতে বাধ্য হচ্ছে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের ট্রাফিকিং...
নতুন করে বৈধ অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। গত ১৬ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসকদের কাছে আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশ পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
৯০২ কোটি টাকার অতিরিক্ত বাজেটের ঘাটতি এবং পরিচালনা সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে আছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক থার্ড টার্মিনাল। আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদানে নির্মিত এই...
সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর ভার্সিটি ঘাট থেকে যতো দূর চোখ যায়, কেবলই উত্তাল যমুনা। নৌকায় প্রায় ঘণ্টাখানেকের নদীপথ পাড়ি দিয়ে, তারপর দু-চাকার বাহনে চরের ধূ ধূ ধূলিপথ। চরের শান্ত নিভৃত এক গ্রামে গড়ে উঠেছে...
শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন মহাঅষ্টমীতে দেবী দুর্গার জীবন্ত প্রতীক হিসেবে এক কুমারী শিশুকে আরাধনা করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
সৌদি আরবে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নুরুল হকের পরিবার সরকারের কূটনৈতিক সহায়তায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ক্ষতিপূরণের অর্থ বুঝে পেয়েছে। প্রাপ্ত এই সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানাতে নিহতের স্বজনেরা আজ...
বরগুনার বেতাগীতে কিশোর গ্যাং, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলবাজি এবং ছড়িয়ে পড়া অনলাইন জুয়া চিরতরে নির্মূল করতে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) দুই মাসের (৬০ দিন) সময়সীমা বেঁধে...
কেউ যদি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তবে সে বিষয়ে আইন ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, এখানে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর