বেশ কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালিয়ে, ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার দিয়ে মার্চ ফর খেলাফত নামে নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীর যে মিছিল করেছে, তাতে করে পতিত আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ বিরোধীরা নেতিবাচক প্রচারণার সুযোগ পেয়েছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
তাই সরকারকে এসব বিষয়ে শক্ত ও সাহসী পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। বাংলাদেশ বিরোধীরা দেশকে অস্থিতিশীল করতে জঙ্গিগোষ্ঠীকে সহযোগিতা করছে কিনা তাও খতিয়ে দেখার আহবান তাদের।
শুক্রবার মার্চ ফর খেলাফত নামে রাজধানীতে শোডাউন করার চেষ্টা করে উগ্রপন্থি নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীর। এর আগে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে, রাজধানীজুড়ে ব্যানার পোস্টার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাধাহীন প্রচার চালায় দলটি।
এভাবে আইন শংখলা বাহিনীর প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে, হিজবুত তাহরিরের এই কর্মসূচিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশবিরোধী প্রচারণা শুরু করেছে একটি মহল। বিগত দিনে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে আওয়ামী লীগ জঙ্গিবাদের যে বয়ান দিতো, তাদের এই কর্মসূচি সেই বয়ানের পালেই হাওয়া দিয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা মনে করেন সরকারকে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতেই হবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সাহাব এনাম খান বলেন, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে বিদেশি গোয়েন্দারাই এই জঙ্গি গোষ্ঠীকে মদদ দিচ্ছে কিনা সে বিষয়েও অনেক বিশ্লেষকের সন্দেহ আছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক শাহীদুজ্জামান বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিগত দিনে বলে এসেছে, তারা ক্ষমতায় না থাকলে দেশ জঙ্গীদের দখলে যাবে। তাদের সেই বয়ান বাস্তবায়ন করতে এখন নানা অপতৎপরতার শঙ্কা আছে। সরকার তার গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই গোষ্ঠীকে দমন করতে না পারলে; আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবার শঙ্কা করছেন অনেকে।
পুলিশের কাছে সহায়তা না পেলে আমাকে জানাবেন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর হওয়ার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার