গাজীপুরের জয়দেবপুরের মোগরখাল এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ শিশু আয়ানের মৃত্যুর পর তার মা পারভিন আক্তারও (৩২) মারা গেছেন। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো চার জনে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেঁচে থাকা শেষ শিশুটির অবস্থাও আশঙ্কাজনক। ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়েছিলেন পাঁচ জন।
রোববার (৪ মে) সকাল ৬টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন পারভিন আক্তার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. মো. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, পারভিনের শরীরের ৩২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিলো। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এখন তানজিলা নামের ১০ বছর বয়সী এক শিশু ৯০ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় ভর্তি আছে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গত ২৭ এপ্রিল রাতে গাজীপুর নগরের মোগরখাল মোল্লা মার্কেট এলাকার একটি বাড়িতে এই গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী-শিশুসহ পাঁচ জন দগ্ধ হন। পরে দগ্ধদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
পরদিন ২৮ এপ্রিল সকাল সোয়া ৯টার দিকে দগ্ধদের এক জন সীমা আক্তার (৩০) জাতীয় বার্নে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিলো। এর একদিন পর ২৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তাসলিমা আক্তার (৩০) নামে দগ্ধ আরো এক নারীর মৃত্যু হয়। তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
শনিবার সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আয়ানের মৃত্যু হয়। তার শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ ছিলো।
সাব্বির টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে