গত ২৮ মের সংঘর্ষের পর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে সব ধরনের চিকিৎসা ও সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে নেই কোেনা চিকিৎসক ও নার্স। শুধুমাত্র জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও সাধারণ রোগিরা অবস্থান করছে। ভর্তি রোগীদের অভিযোগ, গত তিন দিন খাবার জোটেনি। এদিকে যেকোনো ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরব রয়েছে।
শনিবার (৩১ মে) সরেজিমন, চারিদিকে থমথমে পরিবেশ। সর্বসাকুল্যে রোগীর সংখ্যা ৭৫ জন। এর মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ৫০ ও অন্য ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আরও ২৫ জন।
টানা চারদিন ধরে চক্ষু চিকিৎসায় দেশের প্রধান হাসপাতালটি বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীরা। জরুরি সেবা বন্ধ থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেকেই এসে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগীরা আসছেন। কিন্তু ফটক বন্ধ থাকায় ভেতরে যেতে পারছেন না তারা। বাইরে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে যাচ্ছেন।
গত ২৮ তারিখে তুমুল সংঘর্ষের পর হাসপাতালটি ছেড়ে যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা। ফলে কোনো ধরনের চিকিৎসা মিলছে না রোগীদের।
আহত রোগীদের অভিযোগ, প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা না পেয়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হন তারা। সে ঘটনায় কিছুটা সংঘর্ষ হয়।
এদিকে কবে নাগাদ চিকিৎসা সেবা স্বাভাবিক হবে, এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। আতঙ্কে হাসপাতালে আসছেন না চিকিৎসক ও নার্সরা।
