রাজধানীর চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট থেকে গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসানের ওপর হামলার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।
সোমবার দিনগত (৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে চারটার কাছাকাছি সময়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ক্ষোভে ফেটে পড়েন চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে চিকিৎসারত আন্দোলনে আহতরা। হুঁশিয়ারি দেন সোমবার বেলা ১২টার মধ্যে গ্রেপ্তার মুক্তি না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার।
এর আগে সোমবার দিনগত রাত প্রায় দেড়টা চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সামনে অবস্থান নেন ছাত্র অধিকার ও গণ অধিকার পরিষদের কিছু নেতাকর্মী। এ সময় সেখানে শাহবাগ এবং শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশকেও দেখা যায়। এক পর্যায়ে জানা যায়, গণ অধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসানের ওপর হামলার অভিযোগে করা মামলায় কিছু অভিযুক্ত আছেন এ হাসপাতালে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে শাহবাগ থানা এবং শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ আসে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টাতেও অভিযুক্তদের আটক করতে পারেননি তারা। পরে পুলিশের আহবান ঘটনাস্থলে আসে সেনাবাহিনীর কয়েকটি দহল দল।
আন্দোলনে আহত চিকিৎসাধীনরা জানান, সেনাবাহিনীর আশ্বাসেই তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করছেন। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন আহতদের গ্রেপ্তার প্রতিবাদে।
এ সময় ভিপি নূরের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন আন্দোলনে আহত চিকিৎসাধীনরা। এক পর্যায়ে রাত চারটার পর গ্রেপ্তার দুই জনকে সাথে নিয়ে শাহবাগ থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় পুলিশ।
শাহবাগ থানা পুলিশের কর্মকর্তা জানান, মামলার এজাহারে নাম থাকা চার জনের মধ্যে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছেন তারা। যদিও পুলিশ ক্যামেরার সামনে কোনো রকম বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।
তবে তারা জানান, আইন অনুযায়ী এ দুই জনকে হাজির করা হবে আদালতে, বাকি দুই জনকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সাত জানুয়ারি লন্ডন যাবেন খালেদা জিয়া