গোপালগঞ্জের বিভিন্নস্থানে পাগলা কুকুরের কামড় আতঙ্কে রয়েছে সাধারণ মানুষ। এরইমধ্যে কুকুরের ধাওয়া খেয়ে পানিতে ডুবে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর থেকে পাগলা কুকুর আতঙ্কে রয়েছে জেলার বিভিন্ন স্থানের মানুষ।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) কোটালীপাড়ায় কয়েকটি পাগলা কুকুরের কামড়ে এক শিশু ও এক প্রতিবন্ধীসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। সকালে উপজেলার ভাঙ্গারহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে কোটালিপাড়া উপজেলার আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভাঙ্গারহাট বাজারের চারপাশে থাকা ৬টি ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচলরত ব্যক্তিদের ওপর হঠাৎ করে চড়াও হয়ে কামড় দেয় কুকুরগুলো। কুকুরের কামড়ে আহদের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।
তারা হলেন, নারিকেল বাড়ি গ্রামের দীপঙ্কর বৈদ্যর ছেলে দীপ্ত বৈদ্য (১২), নিরঞ্জন রায়ের ছেলে সজল রায় (৩৫), সুখ চাঁদ বৈরাগীর ছেলে সুমঙ্গল বৈরাগী (৬০), টিকরিবাড়ি গ্রামের সুধীর রায়ে ছেলে বাক প্রতিবন্ধী রহস্যময় রায় (৪৫), শ্রীফল বাড়ি গ্রামের পরীক্ষিত গাইনের ছেলে অর্জুন গাইন (৫৫) ও চালিতাবাড়ী গ্রামের ভূদেব মজুমদারের চেলে সৈকত মজুমদার (১৬)।
ভুক্তভোগীরা কোটালীপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এ ঘটনার পর থেকে ভাঙ্গারহাট বাজারে লোকজনের যাতায়াত কমে যায়। আশপাশের গ্রামগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী সজল রায় বলেন, আমি ভাঙ্গারহাট বাজারের দিকে যাচ্ছিলাম। ব্রিজের উপর উঠতেই পেছন থেকে একটি কুকুর এসে আমার পায়ে কামড় দেয়। আমি ফার্মেসি থেকে ইনজেকশন নিয়েছি।
কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক শেখ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, সকালে ভাঙ্গারহাট থেকে কুকুরে কামড়ানো ৬ জন রোগী এসেছিল তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সম্বলহীন শুক্কুরী বেগমকে তারেক রহমানের উপহার