তুচ্ছ ঘটনাকে ইস্যু করে পার্বত্যাঞ্চলে যারা সহিংসতা সৃষ্টি করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এ কথা বলেছেন।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে রাঙ্গামাটি শহরের কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্বত্য উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
এসময় রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মারুফ, জেলা পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য বৈশালী চাকমা, সাগরিকা রোয়াজাসহ সনাতনী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ইউপিডিএফের অপরিপক্ক আন্দোলনের মাশুল গুনছে খাগড়াছড়িবাসী। খাগড়াছড়িতে সহিংসতার ঘটনায় ইউপিডিএফ (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) দায় এড়াতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, খাগড়াছড়িতে জুম্ম ছাত্র জনতা ব্যানারে যারা আন্দোলন করেছে, তাদের ছয় নেতার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তারা প্রত্যেকেই ইউপিডিএফের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাদের অপরিপক্ক আন্দোলনের কারণে খাগড়াছড়িতে এই ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটেছে।
সুপ্রদীপ চাকমা ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, সব মিলিয়ে আমরা কেন ভালোর দিকে এগোতে পারছি না! সবাই যাতে শান্তিতে, ভালোভাবে এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে পারে সেজন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেন তিনি।
পার্বত্য উপদেষ্টা বলেন, খাগড়াছড়িতে জুম্ম ছাত্র জনতা সংগঠনটি ইউপিডিএফের একটি অংশ। জুম্ম ছাত্র জনতা সংগঠনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সবাই ইউপিডিএফের।
তিনি আরো বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অনেকের দাবী, সেনা হাটাও। তবে এমন দাবি মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। যাদের যেখানে থাকার দরকার, সেখানে থাকতে হবে।
উপদেষ্টা হুঁশিযারি দিয়ে বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে তুচ্ছ ঘটনাকে ইস্যু করে যারা সহিংসতা সৃষ্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে।
পাশাপাশি শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবে যাতে কোনো রকম বিঘ্ন না ঘটে সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মীদের ঘন ঘন বাংলাদেশে আসার আহ্বান