এক নজরে বাংলাদেশের বিগত আট নির্বাচন

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১২ পিএম

স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর গত ৩৫ বছরে দেশে আটটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর তিনটিতে জয়লাভ করে বিএনপি, বাকি পাঁচটিতেই ছিলো আওয়ামী লীগের আধিপত্য। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এবং ২০১৪, ১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক আছে।

১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর গণঅভ্যুত্থানের স্বৈরশাসন জেনারেল এরশাদের পতন হয়েছিল। তার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দেশে পঞ্চম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মূলত এর মাধ্যমেই দেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা করে। 

বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সেই নির্বাচন সুষ্ঠু-ই হয়েছিল। বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সেই নির্বাচনে জামায়াতের সমর্থনে সরকার গঠন করে বিএনপি।

১৯৯৬ সালে দু’টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনের দাবির মুখে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে বিতর্কিত নির্বাচন হয়। আন্দোলনের মুখে ওই সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে সংযোজন করে বিএনপি।

৩০ মার্চ খালেদা জিয়া পদত্যাগ করে সরকার ভেঙে দিলে দায়িত্ব নেয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ভোট হয় ১২ জুন। সে নির্বাচনে বিএনপিকে হারিয়ে ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।

২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। ওই সময় বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতা ছাড়ার দিন লগি-বৈঠার সহিংসতা ঘটে। এই প্রাণহানির ঘটনায় পরবর্তীতে দেশ সহিংস হয়ে উঠে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশে ওয়ান ইলেভেন সংগঠিত হয়। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হন সাবেক গভর্নর ফখরুদ্দীন আহমেদ।

তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে কারাগারেও যেতে হয়। ঘটনা বহুল সময় পার করে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুস্ঠিত নির্বাচনে ২৩০ আসন পেয়ে বিপুল জয় পায় আওয়ামী লীগ।


এরপরের তিনটি নির্বাচনই ছিল কার্যত আওয়ামী লীগের নিজস্ব নির্বাচন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করায় ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করে। দেড়শোর বেশি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করে আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা। এরপর ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলেও কারচুপির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে বলে অভিযোগ আছে।

২০২৪ এর নির্বাচনকে বলা হয় ‘আমি আর ডামির’ নির্বাচন। এ নির্বাচনেও বিএনপি ও তাদের মিত্র দলগুলো নির্বাচনে অংশ না নেয়নি।

কার্যত ভোটারবিহীন এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলেও সরকার গঠনের সাত মাসের মাথায় ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছেড়ে পালান সাবেক সরকার প্রধান। এরই ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ২০২৬ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এআরএস
বিএনপির কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। তাই হাতে নেয়া কর্মসূচি বাস্তবায়নে নেতাকর্মীসহ সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার গত ১০০ দিনে মানবিক ও জনমুখী রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড....
আমরা বিএনপি পরিবারের প্রতিনিধি দলটি শিশু দু’টির নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিরাপদ আবাসনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্যোগ গ্রহণ করে। 
আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে স্থির করতে কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতা ডা. সেলিনা হায়াত আইভী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) রাত ১০টা আট মিনিটে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্ত হন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও গাইবান্ধায় আলাদা বজ্রপাতের ঘটনায় মা-ছেলে ও এক কিশোরসহ চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (৩ জুন) বিকেলে থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা দুটিতে আলাদা বজ্রপাতে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
নারায়ণগঞ্জের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতার বিরুদ্ধে মানুষের চলাচলের সরকারি রাস্তা টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদ করায় বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে তার...
বরগুনা জেলা পরিষদের সদর ডাকবাংলোর তিনতলার দুটি কক্ষ থেকে এক নারী ও তার দুই শিশু কন্যার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ জুন) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ এসে কক্ষের দরজা ভেঙে মরদেহগুলো...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর